Thanks to Somewhereinblog. বিদেশের নির্বান্ধব এই পরিবেশে কতকগুলো অজানা, অচেনা মানুষকে এক করে দিয়েছে। এখানে যতজনের সাথে পরিচয় হয়েছে, বন্ধুত্ব হয়েছে, তর্ক হয়েছে, কথা কাটাকাটি হয়েছে, হয়তো সারাজীবনে এদের অর্ধেকের মুখও চলতি পথে দেখা হতো না, পরিচয় তো দূরের কথা।
সতীর্থ সাদিকের লেখা মাশীদের বাসায় নিমন্ত্রনের ব্লগটি পড়ে মনেটা ভালো হয়ে পরক্ষনে খারাপ হয়ে গেল। আহা! বন্ধুত্ব... কত মজার, যদি পাশে মনের মতো বন্ধু থাকে। খুব মিস করি বাংলাদেশের দেশের সেই বন্ধু ঘেরা পরিবেশ।
যাই হোক, সামহোয়ারইন এখন লাইফের সাথে মিশে গেছে, অফিসে এসেই ব্রাউজার খুলে দেখি কি কি পোষ্ট পড়েছে, কোনটার কোনটার মন্তব্যে কি জবাব এসেছে, কে শ্রেষ্ঠ ব্লগার হলো .....
এক ঝাঁক বন্ধু পেয়েছি ... হিমু, রাসেল, ধূসর গোধূলি, সুমন, শোমচৌ, অমি পিয়াল, অরূপ-মাশীদ ( আমার দেখা টোনাটুনি কাপল )। মাঝে মাঝে সাইটে ব্লগ আড্ডা বাদেও প্রায়ই MSN Messenger এ চ্যাট হয়।
অনেক কিছু লিখতে ইচ্ছা করছে, লিখতে পারছি না, সব গুলিয়ে যায়।
ব্লগে যতই তর্ক বিতর্ক হোক, একটা জিনিসকে আমি পজেটিভ এফেক্ট হিসেবে দেখি, তা হলো সব আলোচনাতেই দেশের কথা উঠে আসে, মানুষের কথা উঠে আসে ... ভাল লাগে। আমাদের পরের প্রজন্ম দেশের দশের কথা যে বিমালুম ভুলে যাবে তার লক্ষন হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারছি। হয়তো আমাদের এই লেখাগুলো যদি তাদের দৃষ্টিগোচর হয় তো দেশ উপকৃতই হবে।
প্রতিদিন হাজারো কথা মনের মধ্যে আনাগোনা করে, কাউকে বলতে পারি না। এক সময় সেগুলোও অপমৃত্যু ঘটে, এখন বলার লোক পাই, মন্তব্য না পড়ুক, তবুও লিখতে থাকি অবিরত, যদি কেউ পড়ে .. ভাল লাগে, খুব ভাল লাগে।
আমার সামহোয়ারইন প্রীতি দেখে আমার রুমমেটরা আজকাল বড্ড ক্ষেপায়, বলে আমি যাই করি না কেন, সবই এখানে জানিয়ে দেই ... কি খেলাম ... কি পড়লাম । ওরা এই সবে মজা পায় না, আমি পাই, তাই শত ব্যস্ততার মাঝে অন্তত দিনে একবারের জন্য হলেও উকিঁ দেই এইখানে।
আমার এখন হাসি, কান্না মিশে গেছে সামহোয়ারইন-এর প্রতিটি বর্ণে। ধন্যবাদ তোমাকে সামহোয়ারইন, ধন্যবাদ তোমাদের বন্ধুরা আমার।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



