দিনের হিসেবে দুই দিনের বেশি সময় পর ফিরে এলাম প্রিয় সাইটে, সামহোয়ারইন-এ। 23 তারিখে ঢুকেই দেখি ছাগলের ছবি দিয়ে প্রথম পাতা ভরা। কিছু বুঝে উঠার আগে দেখি একটা পোষ্টে আমার নাম, আমি নাকি রামছাগল, ধুর হালা .... আমি আবার কি করলাম?
শোমচৌ, অরূপ ... সব্বাইকে জিজ্ঞাসা করলাম, বলে ওইটা তুমি না 'হা সা ন', আমি বলি ওইটা আবার কে? কয় বুঝবা না ... কেস ভিন্ন।
যাই হোক, ভিন্ন কেসের মধ্যে পড়তে চাইনি, তাই এই দুই দিন পালায় পালায় বেড়িয়েছি। এখন আবহাওয়া একটু ঠান্ডা মনে হচ্ছে, তাই ফিরে এলাম।
সাইটের অবস্থা তো ঠান্ডা, ভাল কথা কিন্তু দূর থেকে দেশের যা শুনছি, তাতো ঠাহর করতে পারছি কত খারাপ অবস্থা? হঠাৎ করে পরিস্থিতি এত খারাপ হয়ে গেল কেন? বুঝতে পারি না।
মহান দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া একের পর এক মন্ত্রী পরিবর্তন করে কি বোঝাতে চাচ্ছেন, যতদূর মনে হচ্ছে উনিও বুঝতে পারছেন না। মন্ত্রীরা কি যাদু কর যে এতদিনের ব্যর্থতা ছুঃ মন্তর পড়ে ঠিক করে দেবেন। সবই তো একই গোয়ালের গরু। কুমিরের বাচ্চা দেখানোর মতো করে মন্ত্রী বদলিয়ে জনগনের চোখে ধূলি দেবার চেষ্টা করছেন। আরে বাবা, যেই মন্ত্রী আইন নিয়ন্ত্রন করতে ব্যর্থ হইছে, সে বড় গলায় কইলো তার প্রমোশন হইছে, তিনি বানিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পাইছেন। ভাল কথা, তাইলে এইবার প্রমোশন পাইয়া কি ডাইরেক্ট নিজ বাসার দায়িত্ব পাইছেন?
গার্মেন্টসের কমর্ীদের উপর নিদারুন অত্যাচার হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে। দেশের অর্থনীতি যে শিল্পের উপর দাড়িঁয়ে আছে তার শ্রমিকরা কিভাবে নিদারুন অভাবে দিন কাটায় তা বোধ করি আমরা সবাই জানি, কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা ধ্বংস হতে পারে না, আমার কাছে কেন জানি এতসব ভাঙ্গচুর আর নৈরাজ্য ষড়যন্ত্র মনে হচ্ছে, এই কথা পইড়্যা আবার আমাকে আওয়ামী লীগের দালাল মনে কইরেন না, কোন দলের দালাল না, আমি নিজের দালাল।
সবচেয়ে ভাবিয়ে তোলে দ্রব্যমূল্যের উর্ব্ধগতি, কি করে যে, কি খেয়ে যে মানুষ বাঁচবে বুঝতে পারছি না, আমাদের পরিবার মধ্যবিত্ত। বাসা থেকে যতই না না বলুক তবুও বুঝি আব্বার হাসফাঁস উঠে গেছে, সংসার চালাতে গিয়ে। তাহলে নিন্মবিত্ত কিংবা আমাদের চেয়েও গরিবদের কি অবস্থা তা বলার অপেক্ষা রাখে না?
খুব চিন্তায় আছি, নিজেরই এত সমস্যা, তার উপর দেশপ্রেমের পোকা মাঝে মাঝে কুটকুট করে কামড় বসায় ... বড্ড জ্বালা এই জীবনে!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



