গাছে এখনো পাতা আসেনি। তাই তার ফাঁকে ফাঁকে সোনা ঝরা রোদ, দুর্লভ। কাত্যায়নী হয়ে দেখা দেয় পুরো বুদাপেষ্ট। তালগোল, এইভাবে বুঝানো কি সম্ভব?
ঠান্ডা। গ্লাভস আর টুপি বের করি, পরিত্রাণ।
সিঁথির মত সরু সরু রাস্তা।
পায়ে পায়ে, চলতে চলতে, কেবল পাতার শব্দ। পাখির ডাক এখানে সমুদ্্রের মত। ঠান্ডা এখন একটু কম।
সমুদ্্রের আওয়াজ কেবল বাড়ছে।
ছোট পাখি, কি আওয়াজ, কাঠ ঠুকছে, একমনে। আমাদের পাত্তা দিল না।
জঙ্গল ক্রমশ ঘন হচ্ছে। হাউ হাউ করে কোন জন্তু ক্রমাগত ডাকছে। হাতের মত সব ফাঁকা গাছ, তা ছাড়িয়ে শহর আর বেঁচে নেই।
হঠাৎ ফাঁকা জঙ্গলে হাজির কু ঝিক ঝিক ট্রেন। টয়ট্রেন। মনে হয় আমাদের জন্য, এল। তিনটে ছোট ছোট কামরা। সরুএকরত্তি লাইন বেয়ে তিরতির করে চলেছে। ভেতরে দুই এক জোড়া প্রেমে মগ্ন। ট্রেন চলে যেতেই আবার সেই সমুদ্্রের শব্দ ফিরে এল। কেবল মনে হচ্ছে হটাৎ সামনে সমুদ্্র দেখতেও পারি ট্রেনটার মত।
গাছ আরো ঘন হয়ে আসে, বোধহয় ঠান্ডায়। কেমন মেঘ মেঘ জঙ্গল। ঘোলা রঙ। নিচে সবুজ ঘাসে টুপটাপ ফুল।পাহাড়ের মাথায় বেশ কিছুটা জায়গা, গাছেরা উধাও। কেবল ঠান্ডা।
জায়গাটা চকৌড়ির মত। এইখানে ঘাস খেত মহিনের ঘোড়ারা একদা। এই সেই শীতল রাত্রিবাস, কাঠকুটো জড়ো করা আগুণের ছাই, এখনো এখানে পড়ে। চারটে আবলুস কাঠের তৈরি বাসার জায়গা, কাঠ দিয়ে চালা করা দোকান ঘর যা শূণ্য। বোধ হয় দোকানি সকালে বিকেলে একঘন্টা করে মালপত্র নিয়ে দোকান করে ঘুমাতে চলে যায়। আমরাও একটু বসে জিরিয়ে নিই।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ২:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


