আমার শরীরের শিরা-উপশিরা আমি টের পাই, এই নেমে আসছে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে, ঠান্ডা, হীণহীম। ঐ দুরে পর্তুগিজদের জাহাজ, ঐ অদূরে মা, কর্ণফুলি। বরিশাল থেকে গাইবান্দা আমার যা ঢেউ ছিল, আরব্যরজনী শেষে ফিরে গেল মানচিত্র বরাবর। এখন রমজান মাস, হিসাব মত সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়া হবে, ৮টার পরে, শপিং মালে হিরকদ্যুতি মডেলেরা বেচবে কারাওকের বাংলা সমগ্র। কাটয়ারির এক সন্ধ্যেবেলা, হাঁসেরা বলেছিল মেঘ জয় করতে যাবে, অবনীন্দ্রনাথ হয়ত এমনটাই লিখেছিলেন। মেঘ, তার মত সুন্দর জ্যান্ত বা জলজ্যান্ত প্রাণী ঘুরে বেড়াচ্ছে মাথার উপরে, জিএমজি-এর মেয়েরা ছবি তোলার মত করে উড়ে যাচ্ছে, চরগুলিকে ফেলে।
ধলা নদীর নৌকা বাইচ দেখে যখন উচ্চকিত, খুলনা ও ফরিদপুরের বাইচের কথা শুনে চুপ করে যাই।অনবরত আসা যাওয়ার পথে প্রতিবারই আরিচায় বৃষ্টি নামে, ভেসে যায়, ফেরার কথা। গন্তব্য মুছে গেলে যেমন অপাংতেয় হয়ে যাই আমার বাংলাদেশে। নদী ছিল, শিরা-উপশিরা টের পাইনি। মেঘ মেঘ , জামাতি শাসানি উপেক্ষা করা যায় যদি তুমি গান শোনাম মৃত্যু অবধি। আর গাইতেই থাকো মেঘ, আমাদের ঝিনাইদহের ঢোলসমুদ্রের কিনারায় গরু চরাইতে চরাইটে ব্রজমোহন বলিলেন, মেদুরে কাকানি বর্ষানি। ধুম বৃষ্টি হল, কুড়িগ্রামে বণ্যা।মেঘে ফাটল ধরল, পার্বতিপুরে সারা রাতে কাজল শোনান অশ্রুত প্রেমকথা, খুলনা , বগুড়া হয়ে চলতে শুরু করল ট্রেন, সাইমন জাকারিয়া অবশেষে থামালেন। লালনের বিক্রিবাটা শেষে আমরাও শুনতে পেলাম দু-এক কলি।
মাথাভাঙ্গা সেতু পেরিয়ে মেহেরপুর, নাচ দেখে জ্বীভ কাটে বয়:প্রাপ্ত শৃগাল।আর গান গুটি কয় রেক্রডিত হওয়ার পর, একরাস্তা সিগারেট হানি হইবারই উপক্রম, আখ আর ঐ দূর দর্শনা। নাটক নাই, ধাবমান দেখে মুগ্ধ। সেলেম আল-দিনের জন্যও শিরারা ভুলে থাক মৃত্যু উপত্যাকা। ছরায় ছরায় ভোর হয় জাফলং-এ। বোল্ডার ধ্বনীতে মুখরিত আপাদ বিভূতিভুষণ খাইতে খাইতে মরেন। জর্দার গন্ধ আসে, এখন রমজান মাস, জানের খুব কড়াকড়ি, মসজিদে ভীড়।যবাহ হত্যে হতে পকেটমার সমূহ কতিপয় রমনার দিকে ফুল ছুড়িতে ছুড়িতে ডিপজলের কাছে পৌছে যায়। আর মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গার রাইজ হাঁসেরা উড়িতে উড়িতে হুমায়ুন আহমেদের সেট ফ্রেমে গিয়ে ঢোকে, ঝিনুক ও ঝিনুক আজ রাতে নদীপথে চাঁদ নামবে কী?
বিদায়। এই মাটি, এই পুঁইমাচা। এই অগ্রন্থিত বৃ্ক্ষরাজী ও তরুলতা। আমার নদীপথ, সুলতানি আমলেশুদ্ধ, আমার পচে যাওয়া বাংলাভাষা, যাখুশি তাই ইংরাজী, একপেশে বর্ণমনালা, ওরে ও যমুনা, নাচতে না নিলি কি হয়, সে মাসুদ জানে, আমি না।আামি গান জানিনা, তুই গা, চায়ের কাপে নয়, তুই হ আকাশের ব্যাঙ। মাদ্রিদে যখন দেখা হবে তোর সনে, আমি গাইব, আমি নাচব আল্পসের শিখরে, আমি থাকব ঐ মধুমতির চোয়ানো পানিতে আর নীলক্ষেতে বিস্মৃতির ভীড়ে। এখন রমজান মাস, মানুষ এখন পবিত্র কামগন্ধে গোসল সারছে টেলিভিশনের সামনে, আমার নদীরা, আপাতত কাঠিবদল, নদী হয়েই থাক, শিরারা শিথিল হয়ে পড়তেসে, বাইনারি ব্যবস্থার আগে।
আলোচিত ব্লগ
গানটি বন্ধুত্বের, গানটি শান্তির প্রতি ভালোবাসায় সিক্ত
আমেরিকা ও ইরানের শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে এই গানটি বুনেছি, নিজের বেসুরো গলা 'ব্যবহার' করেই।
এবারে কি ভারত - বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তির আলো দেখা দেবার কথা?

বন্ধু হে অনেক... ...বাকিটুকু পড়ুন
সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান
সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল

সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন
নীল গ্রহের শেষ প্রেম // কেয়া এবং আমি।

আমি ভেসে আছি মহাশূন্যে।
আমার শরীরে রূপালী স্পেসস্যুট।
চারপাশে অসীম অন্ধকার।
আর আমার সামনে দূরে জ্বলছে এক নীলাভ-সবুজ গ্রহ—
Earth-666।
এই গ্রহেই আমার জন্ম।
এই গ্রহেই আমি প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।
আর এই গ্রহই আমার কাছ থেকে সবকিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন
“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”
এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন
=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।
বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।
যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।