এটি আমার চলমান জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার শব্দরুপ মাত্র।
সম্পুর্ন কর্মজীবন এর সিংহভাগে সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়ে, প্রথম মোড় যেদিন নিলাম, সেদিন অর্থ ও বানিজ্য বিষয়ক একটি উপ-দপ্তরের কাজ বুঝে নেবার দায়িত্ব পেলাম। আমাকে যারা নিজেদের প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ দিলেন, তারা ও ইতিপুর্বে আমার ই মতো একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। যদিও তারা কেউই পুর্বতন প্রতিষ্ঠানে ১০ বছরের বেশী ছিলেন না, সেখানে ঐ একই ধরনের প্রতিষ্ঠানে আমার অভিজ্ঞতা ১৮ বছরের ও বেশী। গত এক বছর যাবত আমি যেখানে কাজ করছি এই প্রতিষ্ঠানটি একটি বেসরকারী সেবা খাতের অন্তর্ভুক্ত।
ঢেকি নাকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। শোনা কথার বাস্তব প্রতিফলন পেলাম নিজের বেলায় ও। ক্রয় বিভাগে কাজ করলেও প্রশাসন ও মানব সম্পদ বিভাগের প্রতিটি কাজের যতটুকু চোখে পড়ে, তাতে ভালো দেখলে মনে মনে “শাবাস” দেই আর বেশীর ভাগ ই আমার থেকে মনে মনে “বাশ” পায়। অনেক গুলো কান্ড দেখে হাসতে হাসতে পেট ব্যথা হয়। বিখ্যাত কোন কোম্পানীর ঔষধ ও এ ব্যথা সারাতে পারবে না।
বিপনন বিভাগের সাথে পরিচালনা বিভাগের রেষারেষি, মানব সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত গোয়েন্দা প্রীতি, অর্থ বিভাগে ব্যবস্থাপক হীনতা – এ সব তো আমার চোখে দেখা। লোকে বলে ” যা দেখা যায় তার সবটা নাকি সত্য না “। দুর্জনের মুখে ছাই দিয়ে যদি এগোতে পারতাম, তাহলে এই কথার ছাপা টি শার্ট ঈদ উপহার নিতাম। কিন্তু কপালে না থাকলে কি আর করা। যা দেখলাম, তার সবটাই যখন সত্যি হয়, তখন আমার ঈদের ড্রেস এর কি হবে? হায় হায়, নাকি আয় হায়?
আসলে এই সংগঠন টা কে উন্নতির দ্বার থেকে যখন ই মুখ ফিরিয়ে নিতে দেখেছি তখন ই ঠিক করেছিলাম এ নিয়ে ভাবনা গুলো লিখে রাখবো। তাই আজ শুরু করলাম – ধারাবাহিক ভবে লেখবো। ভালো হোক বা খারাপ, ফিডব্যাক পেলে ভালো লাগবে। আজকে বিষয় এর অবতারনা করে দ্বিতীয় পর্বে আরো বিশদ ঘটনাপুঞ্জী ও ব্যখ্যায় যাবার চেষ্টা করবো।
ততক্ষন সবাই ভালো থাকবেন, এই প্রত্যাশায়

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





