হাতড়ে হাতড়ে সিড়িঘর, সিড়িঘর থেকে খাবার ঘর
অন্ধকারে নিমজ্জিত চরাচর, পায়ের নীচে হঠাৎ জল
জলশুন্য এ খাবার ঘরে শুধুই পায়ে পায়ে আসা
মশারীর বাইরে মশাদের ক্রুদ্ধ চিৎকার, কান পাতা দায়
মশারীর ভেতরে উষ্ণ লু হাওয়া, ঘর্মাক্ত কলেবর
চোখ খুললেও অন্ধকার, মহাকালের শুন্য গর্ভ।
চোখের পাতায় টলটল জল, দৃষ্টিতে জ্বাজল্যমান অভিমান
ঠোটে পরিহাস, কপালে ভ্রু-কুঞ্চন
অন্ধকারে চোখে ভাসে এই তোমার ছবি।
ছোট বাচ্চার হাতে খরগোশের মতো কম্পমান চোখ
ত্রস্ত হরিনীর ভীত চাহনী, ভয়ে বোজাঁ চোখ
আধারের কোলে আধারের অন্ধকার
শব্দহীন ভাষার বিলাপ, কথাহীন বিষন্নতার ফুলঝুড়ি
চেতনার গভীরে শুন্যতার হাহাকার, অভাবের দ্বারে তাচ্ছিল্যের আধার
এর মাঝে দূর থেকে ভেসে আসা এক চিলতে আলোর আভাস
পর্বতসম বাঁধের এক কোনে সামান্য এক ফাটল
চুইয়ে চুইয়ে কয়েক ফোটা জল, ঝিনুকে যায় মাপা
আশার আলো রেখে যায় বন্যার পুর্বাভাষে, কাউকে না ভাসিয়েই
এতো আধারের মাঝে এক দুরাগত আভাসের মধ্যেই
জীবনের উদ্দীপনা, উদ্ভাস, উৎপত্তি, অবগাহন এবং ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা
তিমির তমসার আধারে এক ফোটা আলোই আমার জীবনের বন্যা
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মে, ২০১০ রাত ২:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





