শুটখড়া চেয়ারটা খোয়ে গেছে কোথাও কোথাও
দরজা জানালা এবং স্থাপত্য নকশা সাক্ষী দেয়—আভিজাত্য ও দম্ভের
আমার লেখা কবিতার কোনো না কোনো বিষয়ে আঁচড়ে পড়ে আছে
এই ঘরের নিরিবিলি নীরব জানালার কথা।
গল্পে আমার শব্দের দৈন্যতা ছিলো না কখনও, কোনোদিন।
এখন লিখতে বসে মনে হচ্ছে পৃথিবীর অর্থনৈতিক মন্দার সাথে
আমার শব্দের মন্দাও শুরু হয়েছে।
আজ রাতে কবিতা শিরোনাম দিতে গিয়ে মনে হচ্ছে আমি শব্দের দৈন্যতায় ভুগছি।
সে কবিতার উপমা একটি মাটির ঘর
ঘরের ভেতরে নিভৃতে পড়ে থাকা একটি কাঠের চেয়ার
দক্ষিনে মরচেপড়া জীবন্ত জানালার
একটি সবুজ পুকরের, পুকুরের ময়লাভরা সিঁড়ির
এই কবিতার উপমা একটি মন্দিরের
চুনোপড়া দেয়ালী ওজুখানার
জয়নাল মামার চায়ের দোকানের
এখন ক'টা বাজলো!
চোখ তোলাবার অবকাশ নেই। বাহিরে ল্যাম্পোস্টের হলুদ বাতি
চন্দ্রের আলোয় আন্দোলিত করছে রাস্তাঘাট।
রাস্তায় ভিখিরির মত হাঁটছে দেহলোভী কাপুরুষ।
হাঁটছে ফেরেশতা এবং সঙ্গে কিছু দাঁড়কাক।
বহুদিন দেখি না আমার ঘরসম্পদ
ঘুনে ধরা চৌকাঠ
পায়াভাঙা চেয়ার
আমি ফিরে যেতে চাই আমার শৈশবের শহরতলীতে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ১১:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




