somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শরতের  আকাশ
নীল আকাশে ভেসে বেড়ানো সাদা মেঘের ভেলা। তুলোর মত মেঘের সাথে সুয্যিমামার লুকোচুরি খেলা। নীল আকাশের এই বিশালতার সাথে কাশফুলের নরম ছোঁয়ায় নৃত্য ছন্দের বোল তোলা মিষ্টি হিমেল হাওয়া আর ভোরে আঙিনার শিশির সিক্ত ঝরে পড়া শুভ্র শিউলির ঘ্রানে মেখে ঘোষনা দেয় শরতের আগ

জোকস কখনো পুরানো হয় না ( :):):) )

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শিক্ষকঃ ১০ টা রাসায়নিক দ্রব্যের নাম বল...

ছাত্রঃ ক্লোরিন
ফ্লোরিন
ব্রোমিন
আয়োডিন
নওরিন
জেরিন
জেসমিন
পারভিন
ইয়াসমিন
নাসরিন...!!

:D:D:D


এক সাধু বাবা এসেছেন জলিল সাহেবের বাড়িতে। তিঁনি জলিল সাহেবের বউকে ডেকে বললেনঃ মা জননী, অনেকদিন পর আবার তীর্থে যাচ্ছি। ভাবলাম যাওয়ার আগে তোমাদের একটু খবর নিয়ে যাই। সেবার তো তোমার সন্তান-সন্তুরির জন্য তীর্থে মোমাবাতি জ্বেলে এসেছিলাম। তার সুফল পেয়েছো?

জলিলের বউ বললোঃ জি, সাধু বাবা। তারপর আমাদের আট-আটটি ছেলেমেয়ে হয়েছে!

সাধু বাবা বললেনঃ ও আচ্ছা! বেশ ভালো! তা জলিল সাহেবকে দেখছি না যে! তিনি কোথায় গেছেন?


জলিলের বউ বললোঃ জি, উনিও তীর্থে গেছেন আপনার জ্বালানো মোমবাতিটা নিভাতে!

:D:D:D


এক আমেরিকান আর এক বাংলাদেশীর প্লেনে দেখা হল। তো আমেরিকান বাংলাদেশীকে ভাব নিয়ে বললঃ আমাদের দেশ কেন এত উন্নতি করেছে জান? কারন আমাদের আছে তুখড় বুদ্ধি। বুদ্ধির জোর না থাকলে কেউই কিছু করতে পারে না। তোমাদের দেশ কতটা উন্নত?

তখন বাংলাদেশী কিছু বলল না। সবুর করল।

একটু পর আমেরিকান লোকের মাথায় কুবুদ্ধি ঢুকল। সে ভাবল এই বাংলাদেশীর কাছ থেকে কিভাবে ডলারগুলো মারা যায়।
তো সে তার উর্বর মস্তিষ্ক খাটিয়ে একটা বুদ্ধি আঁটল।

বাংলাদেশী লোকটা কে ডেকে বললঃ চলো একটা খেলা খেলি?
খেলাটা হলো এমন, আমি তোমাকে কিছু প্রশ্ন করব। তুমি যদি উত্তর দিতে না পার তাহলে তুমি আমাকে ৫ ডলার দিবে। আবার তুমি আমাকে প্রশ্ন
করবে। আমি যদি উত্তর না দিতে পারি তাহলে আমি তোমাকে ৫০০ ডলার দিবে।

বাংলাদেশী ভাবল এই শালারে একটু দেখাই বাংলাদেশী কি জিনিস।

তো সে রাজি হয়ে গেল।

আমেরিকান প্রশ্ন করলঃ পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব কত?

বাংলাদেশী কিছু না বলে ৫ ডলার বের করে তার হাতে দিল।

আমেরিকান তো খুশী!

তারপর আমেরিকানকে বাংলাদেশী প্রশ্ন করলঃ এমন কি প্রানী যার
পাহাড়ে উঠার সময় থাকে ৩ পা।
নামার সময় ৪ পা?

আমেরিকান ভাবতে লাগল। না পেরে ল্যাপটপ টা বের করে নেটে সার্চ করল। তারপরও কিছু না পেয়ে বন্ধুকে ম্যাসেজ করল। তাও
কাজ হলো না। কেউই কোন উত্তর
দিতে পারছে না। তারপর হতাশ আমেরিকান বাংলাদেশীকে ৫০০ ডলার দিল।

তারপর প্রশ্ন করলঃ উত্তর টা কি?
বাংলাদেশী কিছু না বলে পকেট থেকে ৫ ডলার বের করে তার হাতে ধরিয়ে দিল।

:D:D:D

শপিং সেরে বাড়ি ফিরতেই ছোট্ট বাবু তার মাকে বললো, “মা মা, আজ কী হয়েছে শোনো, আমি তোমার আলমারিতে লুকিয়ে খেলছিলাম, এমন সময় বাবা আর পাশের ফ্ল্যাটের টিনা আন্টি এসে ঢুকলো। তারা দু’জন সব জামাকাপড় খুলে ফেললো, তারপর বাবা টিনা আন্টির ওপর চড়ে বসলো …।”

এটুকু শুনেই বাবুর মা তাকে থামিয়ে দিলেন। মুখখানা গম্ভীর করে বললেন, “ব্যস, আর একটা শব্দ না। এবার বাবা ফিরলে তুমি যা দেখেছো, তা আবার ঠিক ঠিক বলবে, কেমন?”

বাবুর বাবা বাড়ি ফিরতেই বাবুর মা মুখ ঝামটা দিলেন। “তোমার মতো একটা লম্পটের সাথে আমি আর সংসার করবো না।”

বাবুর বাবা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বললেন, “কেন?”

তখন বাবুর মা বললেন, “বল বাবু, কী দেখেছিস গুছিয়ে বল।”

বাবু বললো, “আমি তোমার আলমারিতে লুকিয়ে খেলছিলাম, এমন সময় বাবা আর পাশের ফ্ল্যাটের টিনা আন্টি এসে ঢকলো। তারা দু’জন সব জামাকাপড় খুলে ফেললো, তারপর বাবা টিনা আন্টির ওপর চড়ে বসলো, তারপর তুমি আর আক্কাস আঙ্কেল গত পরশু দিন দুপুরে যা করেছিলে, বাবা আর টিনা আন্টি তা-ই করতে লাগলো …।”

:D:D:D

বাংলাদেশী দম্পতির বউ ছিল গর্ভবতী.তখন BSF সৈন্যরা ভাবল তাদের নিয়ে একটু মজা করবে.তখন BSF সেনা বাংলাদেশী নাগরিকে প্রশ্ন করল,তোমরা কোন দেশের নাগরিক?

বাংলাদেশী লোকটা বলল আমি বাংলাদেশের নাগরিক.
তখন সেনাটি বলল, তোমার বউ কি প্রেগনেট? বাংলাদেশী লোকটা বুঝতে পারে সেনাটি ইচ্ছা করে তাকে অপমান করার জন্য কথাটি বলসে. তখন লোকটিবলল, হ্যা. সেনাটি এবার বলল যদিতোমার ছেলে হয় তবে তাকে ভবিষ্যতে কি হিসেবে দেখতে চাও?
তখন লোকটি বলল, কম্পিউটার ইন্জিনিয়ার. সেনাটি আবার প্রশ্নকরল, যদি মেয়ে হয় তবে? লোকটি বলল, ডাক্তার তখন. সেনাটি লোকটিকে

অপমান করার জন্য বলল, যদি ছেলে মেয়ে উভয় হই মানে হিজড়া হয় তখন কি করবে?

তখনলোকটি হেসে বলল, "কেন BSF এর সেনা বানাব"


(সংগ্রহীত)

৫টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চারদিকে অদ্ভুত নীরবতা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪০



নিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ধেয়ে চলেছি।
ঊর্ধ্বলোক আর নিম্নের অতল অন্ধকার কোন জায়গায়,
সে নিয়ে আর চিন্তা কি!

প্রিয়ার আহবানে আমরা কতো কিছুই না করি!
এবারে প্রিয়ার আহবানে দিক-শূন্যই নাহয় হলাম!... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৩

দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাদিক হাসনাতের প্রোগামে রাজাকার মঈনুদ্দীন

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫



এই ছবিটি লন্ডনে অনুষ্ঠিত হওয়া নিজেস্ব অর্থায়নে সাদিক হাসনাতের প্রোগামের। অসংখ্য আঙ্কেল আন্টিদের মাঝে একজন বিশেশ লোককে দেখা গেল সেখানে। লোকটাকে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে ছবিতে। এই লোকটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি দিতে এসেছি শ্রাবণের গান

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:০৫



'এই জল ভালো লাগে; বৃষ্টির রূপালি জল কত দিন এসে
ধুয়েছে আমার দেহ- বুলায়ে দিয়েছে চুল-চোখের উপরে
তার শান-স্নিগ্ধ হাত রেখে কত খেলিয়াছে, আবেগের ভরে
ঠোঁটে এসে চুমো দিয়ে চলে গেছে কুমারীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×