
জলের শরীরে কিছু রোদের চিহ্ন থাকে
অনিলারও ছিল!
স্বচ্ছ জলজ চোখে দীঘল আকাশ দ্যাখে
ঘোলাজলে রেখে গেছে বিষাদের ধ্বনি
সে চোখের তীর ধরে যে নাবিক হেটে গেছে
আমি সেই গাংচিল, যমুনার পাড়ঘেঁষা শ্যামল তর্জনী!
সকলেই নদী ভালোবাসে না
কেউ কেউ আগলে রাখে পিঙ্গল বালিয়াড়ি
এখানে মুগ্ধ আকাশ, শান্ত কোমল হয়ে তিরতির জল
এখানে পাখির পালক, গহিন হৃদয় নিয়ে বটবৃক্ষের বাড়ি।
এখানে সহস্র পথিক—
প্রেম নিয়ে ফিরে গেছে মানুষের দ্বারে।
এখানে অবাক রোদ, এখানে ঘৃণা ও প্রেম
আমাদের দ্যাখা হোক যমুনার পাড়ে!
কতটা বর্ষা ধরে হৃদয়ের আয়ু
যমুনার বুকে আর কতটা প্লাবন
হৃদয়ের জনপদে যা দিয়েছো পলিমাটি
কতবেশি হলে হবে চোখের শ্রাবণ!
তোমাকে দেখাবে পথ সবুজ পাতা
তৃষিত নক্ষত্রের আমৃত্যু সাধ
তোমাকে দেখাবে পথ দূরত্বের গান
বটের ফলের শব, তৃষিত নদী
তোমাকে দেখাবে পথ রাতের জোনাকি
সুহৃদের টানে ফেরা পাখির সিম্ফনি।
এইখানে অনিলা, বিশ্বাস গেঁথে আছে চোখের শিশিরে;
এখানে ভীষণ ভাঙন
আমার সমর্পনে কেঁপে উঠেছিলে।
এখানে সবুজ আঘাত,
নদী ও নারীর মতো সব কথা ফেলে গিয়ে ফের ছুটেছিলে।
আমি সেই আগুন্তক—
খসে পড়া নক্ষত্র, আমাদের দ্যাখা হোক যমুনার পাড়ে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




