
১.
যতটা দেখেছি তোমায়
এর বেশি দ্যাখেনি মানুষ;
এতটা গায়নি গান পাখির হৃদয়।
তোমার শরীর ধুয়ে যতটা নেমেছে রাত
সে কেবল ভ্রান্তি আমার
চোখের শহরে কে চায় অশ্রু বিপর্যয়?
২.
যে পঙক্তিতে তুমি নেই--
তা কি করে কবিতা হয়ে উঠবে?
কাকে বলো শূন্যতা?
পৃথিবীর কোলাহলে যে তোমায় ফিরায়েছে বারবার!
৩.
ঘুমিয়ে যাবার নাম করে রোজ মৃত্যুকে দেখি
চুমু খাবার ছল করে দেখে ফেলি শরীর
কেবল তোমাকে চাইনি চোখে তবু সমুদ্র গভীর।
৪.
একজন দুঃস্বপ্নফেরত যুবকের কাছে
তুমি আর কি স্মারক রাখতে চাও?
নিজের ভেতরে যে রাখে লাশকাটা ঘর
তাকে আর কি মৃত্যু দ্যাখাবে?
৫.
বেদনার চিত্রকর তুমি—
অথচ কেন মনে করিয়ে দ্যায় 'আমাদের'?
নখের ডগায় নিয়ে গোলাপের বিদ্রোহ;
মুখ বুজে মুক্তো ফলায় ঝিনুকের মতো!
৬.
আহারে যৈবতী কন্যা;
যদি গাঙে পিরিতি ভাসাইবা, তয় এমন পরান কাঁপানো বাতাস আহে ক্যান?
ভরা শীতে ঠোঁটে আগুন সাজাইলে, ক্যান পতঙ্গ হয়া মরি?
৭.
মৃত্যু নির্ধারিত জেনেও
আমরা প্রার্থনা করি অমরত্ব;
যেভাবে প্রতিবার প্রেমের কবিতা লিখতে গিয়ে
আমার কলম থেকে ঝরে পড়ে বিষাদ!
৮.
যদি চলে যাই
যদি ফিরে না আসি
তোমাকে দিয়ে যাবো ঘুমের দলিল;
স্মৃতির দস্তাবেজে আর কোন চুমু নেই
তবুও তাম্রলিপি।
বিষাদ লিখি না আমি, তোমাকে লিখি...
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




