
বছর ঘুরে আবার এলো পবিত্র ইদুল আযহা। হযরত ইব্রাহীম (আ) এর ত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই দিন সারা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান কোরবানী করবেন।
যুগের সাথে সাথে কোরবানীর আদর্শগত পরিবর্তন হয়েছে, অন্তত বাংলাদেশে।
কোরবানী এখন ত্যাগের চেয়ে নিজের মান মর্যাদা বৃদ্ধির উপায় হিসাবে এক শ্রেণীর লোক ব্যাবহার করছে। তবুও খেটে খাওয়া সীমিত আয়ের মানুষগুলো তো একটু ভালো খেতে পারছে!
কোরবানির নিয়তের মত কোরবানীর পশুতেও এসেছে ভেজাল। স্টেরয়েড ইনজেকশন আর খাবারের ফলে গরু দেখতে হাতির মতো হলেও তা স্বাস্থ্যগত দিক থেকে মোটেও উপকারী নয়, বিশেষত শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের তো এসব হরমোন মারাত্বক প্রভাব ফেলবে। এসব দেখার কেউ নাই!
কোরবানির গরু বা ছাগলের সাথে সেলফি! এ আরেক যন্ত্রণা! কোরবানী হল নিজের সবচেয়ে প্রিয় জিনিস কোরবানী করা। কোরবানীর ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখতে একদিনের মতো সেলফিটা কোরবানি দেওয়ায় ভাল। আর কিভাবেই বা দেব! কেউ কেউ তো দেখলাম রীতিমতো প্রতিযোগিতা আয়োজন করে বসে আছে।
এবারের হজ্জে কয়েকটি মারাত্বক দূর্ঘটনা ঘটে গেছে। আল্লাহ যেন সকলকে উত্তম প্রতিদান দান করেন।
সর্বাপরি সবাইকে ঈদ মোবারক। মহান সৃষ্টিকর্তার জন্য এই ত্যাগ যেন আমাদের সবাইকে পরিশুদ্ধ হতে সাহায্য করে। আমাদের বদদোষগুলো যেন আমরা ত্যাগ করতে পারি....
জাতীয় কবির কথায়,
আজ আল্লার নামে জান কোরবানে ঈদের পূত বোধন।
ওরে হত্যা নয় আজ 'সত্যাগ্রহ', শক্তির উদ্বোধন।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



