“নিজামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ যেসব সাক্ষ্য-প্রমাণ এনেছে তা বিশ্বাসযোগ্য নয়। এগুলো সব শেখানো সাক্ষী। তারপরও যদি এসব সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে নিজামীকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়, তাহলে তাঁকে যেন চরম দণ্ড দেওয়া না হয়। বয়স ও ভালো আচরণ বিবেচনা করে যেন তাঁকে চরম দণ্ড থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।”
বক্তব্যটি নিজামীর আইনজীবি খন্দকার মাহবুব হোসেনের। এখন আমার কথা হলো রাষ্ট্রপক্ষের সব সাক্ষী যদি শেখানো হয়, যদি বিশ্বাসযোগ্য না হয় তবে তা আদালতে প্রমাণ করুন। আদালতে সকল আইনজীবীর কাজই হচ্ছে সকল সাক্ষীদের সাক্ষ্য যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করা। কিন্তু খন্দকার মাহবুব হোসেন আদালতে সেসব প্রমাণ করতে না পেরে বললেন দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে যেন মৃত্যুদন্ড না দেওয়া হয়। কিন্তু নিজামী যদি অপরাধী নাই হতো তবে এত আগেই দোষ স্বীকার করে নিতেন না।
এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওনাদের সাবমিশনে আমি যা বুঝেছি, তাতে আমার মনে হলো, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তাদের শীর্ষ আইনজীবীরা এই প্রথম তাঁদের অভিযুক্ত একজন নেতা যে অপরাধী, তা তারা স্বীকার করে নিলেন এবং শুধু মৃত্যুদণ্ডের হাত থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য আবেদন করলেন।’
সাকা মুজাহিদ মৃত্যুর আগে হলেও রাষ্ট্রপতির কাছে দোষ স্বীকার করে প্রাণভিক্ষা চেয়েছিলো। এবার আরেক রাজাকার আরো আগেই দোষ স্বীকার করলো। এবাবেই চলবে, আমাদের শহীদের আত্না আজ কিছুটা হলেও শাস্তি পাবে।...........
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




