বিরোধী দলে ভোট দেয়ার কারনে ৪ সন্তানের মাকে গনধর্ষণ করেছে আওয়ামীলীগ নামধারী ক্যাডাররা।
২২ বছর আগে আফগানিস্তানেও এরকম একটি মেয়ের গনধর্ষণ হয়েছিল। তবে অপরাধীদের পরিনতি ভিন্ন ছিল। আজ সেই ঘটনাই বলব।
গ্রামের এক মেয়ের উপর দুই সৈন্যর অশুভ নজর পড়েছে।
কিছুদিন পরই এই মানুষরূপী হায়েনারা মেয়েটিকে তুলে নিয়ে যায়।
কয়েকদিন নিজেদের কাছে রাখার পর, মেয়েটির রক্তাক্ত এবং বিবস্ত্র লাশ রাস্তায় ফেলে যায় তারা।
গ্রামের লোক যখন ঘটনা জানতে পারল তখন তাদের রক্ত টগবগ করে ফুটতে লাগল। তারা এর উপর্যুক্ত বিচার চায়।
কিন্তু বিচার কিভাবে হবে? ঐ সৈন্যরা যে এক শক্তিশালী ওয়ারলর্ডের অধীনে কাজ করে।
সবাই বলল মোল্লার কাছে যাওয়া হোক। মোল্লাই এর সমাধান করবেন।
মোল্লা একটি মাদ্রাসার শিক্ষক। সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তিনি এক চোখ হারিয়ে এখন পুনরায় মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছেন।
মোল্লার কাছে এসে সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করা হল।
না, মোল্লা ঐ ধর্ষকদের বিচার চেয়ে মিছিল বের করেন নি, তিনি ঐ দুর্ভাগা কন্যার অসহায় পিতাকে মিথ্যে সান্ত্বনা দিয়ে বিদায় করেন নি, কিংবা ঐ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কোন সংবাদ সম্মেলনও করেন নি।
তিনি তার সোবিয়েত আমলের বন্দুক এবং কয়েকজন সাথী নিয়ে নিজের জীবনের পরোয়া না করে, ঐ সেনা ছাউনিতে হামলা করেন।
অতঃপর তিনি ঐ দুই সেনাকে তাদেরই ট্যাঙ্কে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে সমস্ত গ্রামের সামনে হত্যা করেন।
এই মোল্লাই কিছুদিন পর তালেবান নামক দল ঘটন করেন, এবং সমস্ত আফগানিস্তানে শরিয়াহ প্রতিষ্ঠা করেন। এটি ছিল খিলাফাহর পতনের পর সর্বপ্রথম শরিয়াহর অধীনে পরিচালিত রাষ্ট্র।
ইতিহাস এই মোল্লাকে "মোল্লা উমর (রঃ)" নামে চিনে।
লেখার কৃতজ্ঞতাঃ Mohammad Omar Faruq
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




