কাশ্মীরের জন্য মন কাদে। সবকিছুর মাঝে কাশ্মীর সম্পর্কীয় ভাল কিছু শুনতে ইচ্ছে হয়। শুনিও।।। আবার কিছু মানুষ বলে কাশ্মীর স্বাধিন হলে নাকি আরেকটা সন্ত্রাসী রাস্ট্রের জন্ম হবে। এ জাতীয় কথায় মনও খারাপ হয়। তখন নিজেকে বলি থাক যার মত তার কাছে।
আজকে জুম্মায় মসজিদে একটু আগেই গেলাম। হুজুরের ক্ষুদবা শুনতে। আমাদের এলাকার কেন্দ্রীয় মসজিদটা বিশাল। আর দানকারির সংখ্যাও কম নয়। তারপরেও হুজুরের বলা প্রত্যেকটা হাদিস কেন মসজিদে দান সম্পর্কিত হয় বুঝলাম না। আমি যতদূর জানি ক্ষুদবায় সাধারণত সমসাময়িক সমস্য অথবা ঘটনা নিয়ে আলোচনা হয়। বর্তমানে কাশ্মীর সমস্যা একটা বড় সমস্যা। কিন্তু আমাদের খতিব সাহেব এই প্রসংগ নিয়ে একটি কথাও বললেন না। ফরজ নামাজের পরে মোনাজাতেও এই প্রসংগে তিনি কিছুই বলে নাই। শুনেছি প্রধান ক্ষুদবা নাকি সরকার নির্ধারণ করে দিয়েছে। তাহলে কি কাশ্মীর নিয়ে কথা বলাটাও সরকার নিষেধ করে দিয়েছে। কারন কাশ্মীর নিয়ে কথা বললেই তো ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলা হয়। নাকি খতিব সাহেবের স্ত্রী কন্যার প্রিয় ভারতীয় পোশাক আর স্টার জলশার পাখি তাকে মুসলিম ভ্রাতৃত্ব থেকে দূরে রেখেছে।
আরেকটা কথা, হুজুরে কিন্তু বাইরে দারাইয়া থাকা গরিব দুঃখি অসহায় ভিক্ষুকদের সাহায্য সম্পর্কিত কোন হাদিস কখনোই বলে নাই।
ব্যকরন এবং বানান ভূলের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করছি।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




