অরুণ চৌধুরী প্রথম আলোর সহায়তায় নির্মিত আনন্দধারা ম্যাগাজিনের দায়িত্ব দিয়ে তৈরী করেছে আর এক পরিমলকে। নাটক বিজ্ঞাপন বানানোর কথা বলে নষ্ট করছে তরুনীদের সম্ভ্রমকে। অরুণ দাদা নিজে আগে টেষ্ট করে পরে মাঠে নামাচ্ছেন এ সকল নব্য মডেলদেরকে। ফলে আমাদের বাঙ্গালী সাংস্কৃতিকে ধুলায় মিলিয়ে দিচ্ছে। শুয়োরের বাচ্চার আজ ভিডিওটা দেখলাম। বুড়ো হয়ে গেছে অথচ মডেল বানানোর লোভ দেখিয়ে নষ্ট করছে মেয়েদেও সম্ভ্রমকে। আবার টিভিতে বড়কর্তা ব্যক্তি সেজে টকশো করছে। ‘আমার আমি’ নামে বাংলাভিশনে চায়ে ধুয়ো উড়িয়ে বড় বড় কথা আওড়াচ্ছে। কুত্তার বাচ্চার নিজের কোন জন্মের ঠিক নাই আবার তেমনি তৈরি করছে নিজের মত শতশত অরুণকে।
আর আমাদের নব্য মডেলরা, মডেল হওয়ার কথা শুলে ফাল দিয়ে নিজের সব কিছু বিকিয়ে দিয়ে আসছে। যখন মডেল হতে পারেনা তখন নিজের কথা নালিশ করে মাতব্বরের কাছে। “ও আমার সব কিছু নিয়ে গেছে”। শালীর বাচ্চা বুকে এতটুকু দুধ উঠতে পারেনা তা মাপার জন্য চলে যাও “লাক্স ফটো সুন্দরীতে” দুধ আর মাজার মাপ কতটুকু হয়ছে তা দেখানোর জন্য। অথবা অরুণের মত শুয়োরের বাচ্চাদের কাছে যাও খাওয়াতে। মডের বানাবে এ কথা শুনে কাপড় চোপড় সব খুলে দেও। আর কিছু হলে কান্দে পড়। অরুণ তো জানোয়ার ও তো খেতে চাবে তাই বলে তুই দিয়ে দিবি। মডেল হওয়ার কথা শুনলে মাথায় মাল উঠে যায় আর কোন হুশ থাকেনা। আগে নিজে ঠিক হ পরে অন্যের নামে নালিশ দিস।
দেশের শিল্প সাংস্কৃতিকে বাচাতে আসুন এসকল অরুণ ও নব্য মডেলদের ঘৃনা করি। সামাজিকভাবে এদেরকে বয়কোট করি।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুলাই, ২০১১ সকাল ১০:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


