somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি।।

২৬ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বরাবর: প্রধানমন্ত্রী
ইসলামিক রিপাবলিক অব বাংলাদেশ।
ঢাকা, বাংলাদেশ।

বিষয়: ধর্মরাষ্ট্রের আলোকে বাংলাদেশকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষনা করা হোক।

মহাত্নন,

যথাবিহিত সম্মান পুর্বক (যদিও জাতীয় ভার এরশাদ এই জাতীয় সম্মান প্রর্দশন তুলিয়া দিয়াছিল) তবুও ধর্মের প্রতি আপনার অকৃত্তিম ভালবাসা দেখিয়া যার পর নাই আনন্দিত হইয়াছি। বর্তমানে দেশে সংখ্যা লঘু সম্প্রদায়ের হিসাব আদম শুমারী অনুযায়ী শতকরা তিন শতাংশ। দেশে নাস্তিকের সংখ্যা আধা শতাংশ হইবে কিনা সন্দেহ তবুও তাহাদের বিরুদ্ধে আপনার শক্ত অবস্থান ইসলামি উম্মাকে আগাইয়া লইতে সাহায্য করিবে ইহাতে কোন সন্দেহ নাই। বঙ্গবন্ধু সাড়া জীবন ধর্মের অপব্যাবহার যাহাতে না হইতে পারে তাহার জন্য আন্দোলন ও সংগ্রাম করিয়া গিয়াছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ জিয়াউর রহমান ও আপনি উভয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বঙ্গবন্ধুকে অবজ্ঞা করিয়া যে বিষ বৃক্ষটি বপন করিয়াছিলেন তাহা আজ মহিরুহু হইয়া জাতীর কাধে সিন্দাবাদের বুড়ার মতো চাপিয়া বসিয়া আছে। তা বসিয়া থাকুক না উঠিয়া নাচুক তাহাতে আমার কিছু যায় আসে না। আপনার পঞ্চদশ সংশোধনী শংসদে পাশ হওয়ার পর হইতেই আমি অসুস্থ্য হইয়া পড়িয়াছি। আমার সহজ সরল মাথায় ধর্মরাষ্ট্রের সাথে ধর্ম নিরপেক্ষতার সমম্নয় করিতে না পাড়িয়া রোজ একটি একটি করিয়া মাথার শিরা ছিরিতেছি কিন্তু কোন ভাবেই নিজেকে খাপ খাওয়াই লইতে পারিতেছি না। যদিও এই না পারার পেছনে বঙ্গবন্ধু কিছুটা হইলেও অবদান আছে। অযথাই জনগনের সাথে মস্কারা না করিয়া এই অদ্ভুত দর্শন সংবিধানটির পরির্বতন করিয়া শতকরা সাতানব্বই ভাগ মুসলামানের দেশকে ইহুদি, খৃষ্টান ও নাশারাদের ন্যায় গনতন্ত্র তুলিয়া দিয়া ইসলামি প্রজাতন্ত্র ঘোষনা করুণ। হেফাজতে ইসলাম প্রমান করিয়া দিয়াছে যে, মুসলিম উম্মার ঈমানের জোর কত তীব্র যে, এখানে আর অন্য কিছু মানাইতেছে না। তাহাদের শ্লোগান শুনিয়া আমি দারুন উল্লাসিত হইয়াছি "লড়াই হবে ময়দানে, দেখা হবে জান্নাতে"। কি অদ্ভুত সত্য তাহাদের মুখ হইতে নিস্ক্রান্ত হইতেছে। তাহারা ধরিয়াই লইয়াছে কোন ক্রোমে মৃত্যু নিশ্চিত হইলেই জান্নাত মিলিবেই মিলিবে। সাড়া জীবন অধর্ম করিয়া কাটাইলেও কোন ক্ষতি নাই মৃত্যুটার পুর্বে একটি হজ্বব্রত পালন করিতে পারিলেই জান্নাতের চাবিটি হস্তগত হইল। আর মৃত্যুটা শহীদি হইলে তো কথাই নাই গোরাযাব ছাড়াই জান্নাত অনিবার্য। আরো একটি বিষয় না বলিলেই না, আরবি যেহেতু বেহেস্তের ভাষা তাই ইংরেজীর স্থলে আরবিশিক্ষাটা বাধ্যতামুলক করা যাইতেই পারে। মৃত্যুর পর কেরামন ও কাতিবিনের সহি প্রশ্নের সহি উত্তর না দিতে পারার করনে অযথাই কেয়ামত পর্যন্ত আযাব সহিতে হইবে একজন কবুরির। মহা বিজ্ঞানময় পবিত্র গ্রন্থ কোরান শরীফ একটি পুর্নঙ্গ জীবন ব্যাবস্থা এবং সমস্ত বিজ্ঞানের মুল উৎপত্তিস্থল নাকি পবিত্র গ্রন্থ এই কোরান শরীফ। তাই অযথাই শিক্ষাখাতে যে বিপুল বাজেট হয় তা জাতীর কোন কাজেই লাগিতেছে না। শুধমাত্র মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড রাখিয়া দেশের সমস্ত শিক্ষা ব্যাবস্থা তুলিয়া দিয়া কোরান শরীফকে উপজীব্য করিয়া শিক্ষায় জোর দিলেই আমরা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতীতে পরিনত হইব। এই বিষয়ে দেশের কোন ওলামা একরামের দ্বীমত থাকিবার অবকাশ নাই।

অতএব অযথাই ছলচাতুরি বা কৌশলের আশ্রয় না লইয়া দীন ইসলামের খেদমতে বাংলাদেশের শাসনযন্ত্রের নাম গনপ্রজাতন্ত্রের স্থলে বদলাইয়া ইসলামী প্রজাতন্ত্র কায়েম করিতে পাড়িলেই আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে আর পেছনের দিকে ফিরিয়া দেখিতে হইবে না। রাজনীতি যদি করিতেই হয় মুসলমানদের জন্য করুন, মানুষের রাজনীতি বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর সাথে সাথেই ইন্তেকাল করিয়াছে। বিদায় হজ্জের বাণীর আলোকে আপনি যে আলোক বর্তিকা দেশে জ্বালাইয়া দিয়াছেন তাহাতে জঙ্গি আল্রামা ও মাশায়েখ চাষের যে বিশাল সম্ভাবনা তৈরী হইয়াছে তাহা অস্বীকার করিলে আপনাকে অপমানিত বরা হইবে।

নিবেদক
আপনার একান্ত বাধ্যগত কর্মি ও ভক্ত।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×