ভুতের মুখে রাম নাম। রাতের আধারে কে বা কারা যেন বাক্সপীরের মাজারের সাত আটটি টাইলন ভেঙ্গে ফেলেছে। সকালে সিটি করপোরোশনের ক্লিনাররা তা দেখতে পেয়ে বিএনপির উচ্চ মহলে বিষয়টি অবগত করান। অব মে, জে, মাহাবুবুর রহমার সরেজমিন সব দেখে মন্তব্য করেছেনে। এ কাজ স্বাধীনতা বিরোধীদের। উনার কাছে সবিনয়ে প্রশ্ন করতে ইচ্ছা করছে এই স্বাধীনতা বিরোধীরা কারা? এদের পরিচয় কি? এরা কোথায় থাকে? এদের আশকারা দেয় কারা? এদের প্রতিপালন করে কারা? যদি বলতেন তবে এদের বিরুদ্ধে জনগন ব্যাবস্থা নিতে পারত। শহীদ জিয়া বাক্সপীর নাম ধারন করে সংসদ চত্তরে শুয়ে আছেন। দেশ ও দশের মঙ্গল চিন্তায় তিনি সদা জাগ্রত। কার এত সাহস যে তার বাক্সের টাইলসে হাত লাগায়। জাতি দৃ:খ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে এই কাজের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছে। এবং সাথে সাথে এও দাবী করছে যত সত্তর সম্ভব বাক্সপীরের মাজারটি বগুরায় নয়তো পাকিস্তানে তার পিতামাতা কবরের পাশে স্থানান্তরিত করে তার উপযুক্ত সম্মান তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।
স্বাধীনতা বিরোধী বলতে আমরা সাধারনত জামাত, অধুনালুপ্ত মুসলিম লীগ ও বিএনপিকে বুঝি। জামাত মুসলিম লীগ বিএনপি ইয়ার দোস্ত। এর বাইরে স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি কোথায়। বাক্সপীরের বড় অবদান ছিল তিনি রাজাকার উন্নয়ন ও প্রতিপাললের জন্য যা যা করা প্রয়োজন তার সবটুকুই তিনি জীবদ্দশা করে গিয়েছিলেন বাকিটা হোমো এরশাদ, ও বেগম জিয়া করেছিলেন। শেখ হাসিনাকেও ধোয়া তুলশি পাতা বলছি না। তিনি কৌশলের রাজনীতি করতে গিয়ে সমস্ত কিছু বহাল রেখেই ধর্মনিরপেক্ষতা যুক্ত করে জাতিকে একটি বিকলাঙ্গ জাতিতে পরিনত করেছেন।
তিনি নারী হয়েও নরী অধিকারের কথা এখন খুব একটা বলেন না। বেন বলেন না তাও বুঝি। বাঙ্গালী হয়তো এক সাথে এতকিছু নিতে পারবে না তাই ধীরে ধীরে এগুতে চাইছেন। ধর্মরক্ষায় বাঙ্গালী ব্যাস্ত থাক তিনি পেন্ডিং বিচার কার্যগুলি শেষ করে তারপর হয়তো নতুন ভাবে ঘুড়ে দাড়াবেন। এই আশা নিয়ে আজও আমরা বেচে আছি।
৫ জানুয়ারীর ভোটার বিহিন র্নিবাচন(বিএনপির ভাশায়) থেকে সিটি করপোরেশনের র্নিবাচন পর্যন্ত কৌশল করতে করতে রাজনৈতিক প্রজ্ঞার তলানিতে এসে ঠেকেছেন আমাদের গোলাপজান। তার গায়ের রং এখন আর গোলপি নেই হলদে বর্ণ ধারন কলেছে। এমাজউদ্দিন , শেফিক রাহমান ও ফরহাদ মাজহার যাদের শুভাকাঙ্খী তাদের আর শত্রুর প্রয়োজন পড়ে না। এটাই তার উৎকৃষ্ট প্রমান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


