মা দিবসের গুল্লিমারি। মুসলিম দেশে মা দিকসের কোন মাইনেই হয় না। বড়জোর বাবা দিবস উৎযাপন করা যেতে পারে। মুসলিম দেশগুলিতে হুজুর, আল্লামা, শায়েখ, মাশায়েখ এরা সবাই কেউ মাতৃগর্ভে জন্মগ্রহন করেনি এরা সবাই বাবার পুটকি দিয়ে বেড়িয়েছিল বলেই বড়জোর "বাবা দিবস" উৎযাপন করা যেতে পারে। মা, মেয়ে, বোন, বউ এরা সবাই খানকিমাগি। এদের কাজ সন্তান উৎপাদন প্রতিপালন ও লায়েক করে সাঈদি হুজুর বানিয়ে বাজারে ছেরে দেবে যার সারে সাত ইঞ্চি লম্বা আর দেড় ইঞ্চির ঘেরের পৌরুষ দিয়ে নারী চাষ করে বেরানোটা তাদের জন্মগত অধিকার হিসাবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মা দিবস উদযাপন করতে হলে সর্বপ্রথম যে কাজ করতে হবে, তা হলো নারীকে মেয়ে মানুষ নয় মানুষ হিসাবে মেনে নিতে হবে এবং সেটা মেনে নিতে হলে ওদের যা যা প্রাপ্য তা ওদেরকে বুঝিয়ে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলিও নেত্রী ও বেগম খালেদা জিয়া সোয়া দুইবারের প্রধানম্নত্রী হয়েও নারী অধিকার অর্জিত হয়নি করন ধর্ম রক্ষা তো আগে তারপর না অন্য কিছু। সুরা নিছায় (http://quran.com/4) আল্লাহ তায়ালা নারীর অধিকার কতটুকু হবে তা তারা কিভাবে অস্বীকার করবেন।
শেখ হাসিনা ওয়াজেদ একটু হলেও নারী অধিকারের জন্য কিছু কিছু কাজ করেছেন যা অস্বীকার করবার উপয় নেই। তিনি বাবার সাথে মায়ের নাম লেখার রেওয়াজটা তিনিই প্রথম এই দেশে প্রচলন করেন। কিন্তু আমি কি রলি আসলে সন্তানের অবিভাবক হিসাবে সুধুমাত্র মায়ের নামটাই যথেষ্ট হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু সেটা করা যায়নি স্কুলকলেজে ভর্তি করতে আজও পিতৃপরিচয় ছারা সম্ভব নয়। পিতৃসম্পদে নারী অধিকারে আছে বিশাল একটি শুভঙ্করের ফাকি। যা নারী মমতাময়ী মা বলে বুঝেও না বোঝার ভান করে থাকেন। যদি ছেলে ও মেয়ে বাবার সম্পদের সমান অংশ পায় তাহলে আল্লাহ কি রাগাহ্নিত হবেন। এমন কোন কথা তো পবিত্র কোরান শরীফে বর্ণিত নেই।
অতএব আজকের এইসব লোত দেখানো কান্নাকাটির মা এর দরকার নেই। দরকার নারী মাত্রই মা এর সম্মান দিতে শেখা। যৌনতা তো একটা খুদর নাম সে খুদা পরস্পরের সম্মতিতে চলতে দিলে অসুবিধা কোখায়।
কোন মা বেশ্যা নয়
কোন মা বেশ্যা হয়।
এর উত্তর কারো জানা থাকলে দয়া করে জানাবেন।
আর মাথা থেকে মা দিবসের হুজ্জুতি তারিয়ে স্বাবাভিক মানুষের মতো অচরন করুন।
Surat An-Nisa' - The Noble Qur'an - القرآن الكريم

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


