রসুল (সা
তিনি সাধারন মানুষ নন। আমরা মাটির কৈরী কিন্তু তিনি মাটির তৈরী হলেও সেটা র্সগের মাটি দিয়ে। মতখেদে রসুলের ভক্তি শ্রোদ্ধা নিয়েও আছে যথেষ্ট্র মতদৈতটা।
মওদুদি মতাদর্শের জামাত বিএনপির সর্মথকরা যেহেতু নবীজির জন্ম ও মৃত্যুরদিন একটাই তাই তারা ঈদে সিরাতুন নবী উদযাপন করেন। কিন্তু কাউমি মাদ্রাসার রাঘব বোয়ালগুলো ঈদে মিলাদুননবী উদযাপন করেন। আবার এদের মধ্যেও আছে বিস্তর ফারাক কেউ কেউ তো মানতেই চান না। তারা ভাবেন নবীজির মৃত্যুটা একটি গাইবি ব্যাপার তিনি আজও রয়েছেনে মুসলমানদের মধ্যে থেকে দিক র্নিদেশনা দিচ্ছেন। পৃথিবীর সমস্ত মানুষ ভুল করলেও নবীজি কোন দিন কোন ভুল করেননি। এমটাই আমাদের বিশ্বাস। আমরা প্রতিনিযত পাপ করে চলছি কিন্তু তিনি ছিলেন একজন নিস্পাপ মানুষ। তার রাশি রাশি গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। আমি পাপি।
এবিষয়ে আমার কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু তারপরও ধুনকী লাগে ইসলামি চিন্তাবিদদের বিভিন্ন আলাপ চারিতায়। সেদিন নেটের কল্যানেই একটি বিষয় অবগত হলাম যা আমার সমস্ত জানা জিনিস গুলি ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে দিল।
তবে আসল কথায় আসা যাক। রসুল (সা
দোয়া ৩টি হলো-
১। সাদ ইবনে আবি ওক্কাস রা. বলেন, নবীজি সা. দুঃখ-কষ্টের সময় বলতেন :
লা-ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন। (দোয়া ইউনূস)
অর্থ : একমাত্র তুমি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। নিশ্চয়ই আমি সীমালঙ্ঘনকারী। (তিরমিজি : ৩৫০০)
২। আসমা বিনতে ওমাইর রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন, আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দেব না যা তুমি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানির মধ্যে পড়বে। সাহাবী বললেন, অবশ্যই শেখাবেন। নবীজি বললেন, দোয়াটি হচ্ছে : ‘আল্লাহু আল্লাহ রব্বী লা উশরিকু বিহি শাইয়ান।’
অর্থ : আল্লাহই আল্লাহ আমার প্রতিপালক। আমি তার সঙ্গে কোনো কিছু শরিক করি না। (আবু দাউদ : ১৫২৫)
আমার প্রশ্ন হলো ১নম্বর দোয়ায় নবীজি কি করে " নিশ্চয়ই আমি সীমালঙ্ঘনকারী। (তিরমিজি : ৩৫০০) কেন পড়তেন। তাহলে তিনিও কি পাপ করতেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


