![]()
বিডিলাইভ রিপোর্ট: শুধুমাত্র ফুটবল খেলাটিই সারা পৃথিবীর মানুষকে এক মাঠে নিয়ে আসে। আর কেবলমাত্র 'বিশ্বকাপ' এটুকু বললেই হয়, মানুষ বুঝে যায় এ হলো বিশ্বকাপ ফুটবল। চারবছর প্রতীক্ষার উন্মাদনা একমাসে প্রচন্ড তুঙ্গে ওঠে।
বিশ্বকাপ কে জিতলো, কে হারলো-তাতে আমার তেমন আগ্রহ নেই। আমার শুধু আগ্রহ গোল হোক। গোল পরিশোধ হোক। আক্রমণ হোক, আবার প্রতিআক্রমনে পুরো মাঠ মুখরিত হয়ে উঠুক। যতবেশী খেলার মাঠে গোল হয়, আমার মজা ততবেশী বাড়ে।
আবার খেলা শেষে যখন দেখি একদল লড়াই করতে করতে হেরে গেলো, জার্সি দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছে, কেউ বিধ্বস্ত হয়ে মাঠের এক কোনে বসে আছে, কারো চোখে জলকণা চিকচিক করছে আর অন্যদিকে বিজয়ী দল সাম্বা, রাম্বা, মাম্বার উল্লাসে মেতে ওঠেছে, তখন বিজিত দলের প্রতি খুব মায়া হয়। ভাবি, ইস যদি খেলাটাই ড্র হয়ে যেতো। ইস যদি দু দলই জিতে যেতো। কিন্তু তা কি আর হয়?
আমি স্পেনের লড়াকু প্লেয়ার আন্দ্রিসের ম্যাজিক, আর্জেন্টিনার মেসির যাদুকরি ক্ষীপ্রতায় গোল, পর্তুগাল ফুটবলের রাজসিংহ রোনাল্ডোর দুদার্ন্ত সব শ্যট, ব্রাজিলের তরুন ক্রেজ নেইমারের হরিণ শাবকের মতো বাতাসের সাথে পাল্লা দিয়ে বল নিয়ে উদ্যম ছুটে চলা, ইংল্যান্ডের রুনির অপূর্ব ফুটবল শৈলী, ইতালীর মারিও বেলোটেলির ফুটবল কারিশমা, আর ফুটবল মাঠের ত্রাস বিশ্বকাপের বিস্ময় জার্মানীর ওজিলের মনোমুগ্ধকর খেলা দেখার প্রতীক্ষায় আছি।
কোটি কোটি ফুটবল প্রেমিক আফ্রিকার গহীন অরণ্য থেকে আধুনিক নগরের শীতাতপ কক্ষে, মাঠে অথবা মাঠের বাইরে এদের নিপূন ক্রীড়াশৈলীতে মুখরিত হয়ে ওঠুক, আবার নতুন পেলে, ম্যারাডোনার জন্ম হোক এ প্রত্যাশাই করছি। বিশ্বকাপ ফুটবলের জয় হোক।
আরিফ মাহমুদ।
ছোট গল্পকার।
আটলান্টা, আমেরিকা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



