![]()
চেহারার সৌন্দর্য্য বিকশিত করার সবচেয়ে সহজতম তিনটি উপায় হলো-হাসি, হাসি, আর হাসি।
দিনে ১০০ বার হাসি, পুরো দশ মিনিট শরীরচর্চার চেয়েও বেশী উপকারি।(রিডার্স ডাইজেস্ট)
শরীরের ওজন কমানোর সবচেয়ে সহজতম উপায় হলো- খাবারকে নয়, নিজেকেই ভালোবাসা।
নিজেকে যে জিনিস সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয়, তাহলো নিজের ওজনের ব্যাগেজ। এই ব্যাগেজ যত বেশী ভারি হবে, আপনার চলার পথ ততবেশী কঠিন আর ততবেশী সংক্ষিপ্ত হবে।
মহান সক্রেটিসের আক্ষেপ-খাবারের দাম সোনার দাম হলেও পৃথিবীতে কিছু মানুষ মোটাই থাকবে।
হতে যদি চান Thinner,কমিয়ে নেন আপনার Dinner.
মোটা মানুষের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো -লুঙগির ভিতর মাথা গলিয়ে ওপর থেকে ছেড়ে দিলেই হয়, কোমড়ে আর গিট্টু দিতে হয়না। (মিরাক্কেল)
পাঁচ আঙ্গুল আর মুখ দিয়ে নিজের কবর নিজে খুড়নারে ভাই।
একজন মোটা লোক ওজন মাপার স্কেলে ওঠার পর-স্কেলের মনিটরে এই লিখাটি ওঠলো- "অনুগ্রহ করে একসাথে শুধু ১ জনই ওঠুন ।"
এবার একটি প্রচলিত কৌতুক-
ছোট নীলের মায়ের কাছে লিখা চিরকুট
মা,
হাঁটা, সাইকেল চালানো যদি এতো এতো ভালো হতো তবে কোনো পিওনকেই অসুখ হয়ে ঘরে শুয়ে থাকতে হতোনা। পিওন রমিজ কাকা দেখো এক সপ্তাহ যাবত অসুস্থ হয়ে ঘরে শুয়ে আছে।
শুধু তাই না মা। তিমি মাছকে দেখো। শুধু পানি পান করে। সারাদিন রাত সাঁতার কাটে, বলতে গেলে মাংস জাতীয় কিছুই খায়না। শুধু কিছু লতাপাতা আর ছোট ছোট মাছ খায়। তারপরও দেখেছো এর শরীর কত্ত মোটা। একেবারে আদনান সামীর মতো।
গতকাল ক্লাসে স্যার বললেন-খরগোশ সারাদিন দৌড়ায়, কোথাও পাঁচটা মিনিট বসে থাকেনা, বনে জংগলে শুধু দৌড়ঝাপ করে বেড়ায়।অথচ ১৫ বছরই ঠিকে থাকতে পারেনা।
আবার অন্যদিকে দেখো-কচ্ছপ কোনো কিছুই করেনা। শুধু বসে বসে ঝিমায়। হাঁটেনা, দৌড়ায়না। লাফ ঝাপ কিছুইতো করেনা।কিন্তু বাঁচে প্রায় ৪৫০ বছর।
হাতী শুধু সবজি খায়। মাংসতো মুখেই নিতে পারেনা। অথচ ওজন দেখেছো। যেদিক দিয়ে হাঁটে সেদিকই দেবে যায়।
এসব জানার পরও তুমি যদি আমাকে শরীরচর্চা করার জন্য আর বেশী বেশী সবজি খাওয়ার জন্য ঘ্যান ঘ্যান করো তবে সেটা ভারী অন্যায় হবে মা।
ছোটনীলের মতো বুঝলে চলবেনা। শরীরের ওজন কমানোর সবচেয়ে বড় ঔষধ হলো-নিজের ইচ্ছা। আর রিমোটটা কিন্তু আপনার হাতেই ।
দেখুননা , সেই আদনান সামি আর এই আদনান সামি। নিজেকে কেমন করে সাইজে নিয়ে এসেছেন।
ছবিঃ আগের আদনান সামি, আর বর্তমান আদনান সামি।(গুগল)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



