একই জোকস বারবার শুনতে ভালো লাগেনা। তাই রিজিক্স ( গানের যেমন রিমিক্স, জোকসের সেরকম রিজিক্স) করার প্রয়াস। আমার আগের আরো কিছু রিজিক্স আছে- টাইমলাইনে পড়তে পারেন। ধন্যবাদ।
এক পড়ুয়া ছেলে লাইব্রেরীতে বসে বসে পড়ালেখা করছে। এমন সময় তার লাফাঙ্গ বন্ধু হাজির হয়ে বললো-সারাজীবনতো পড়েই গেলি। পড়ালিখা বাদ দিয়ে জীবনে যে অন্য আরো কতরকমের মজা আছে। তার কিছুইতো বুঝলিনা।
দোস্ত, প্লিজ ঝামেলা করিসনাতো। পড়াটা শেষ করতে দে।
ঐ এক জিনিসইতো শিখলি শালা আঁতেল।
পড়ুয়া ছেলেটার মেজাজ চড়া হচ্ছে। রেগে গিয়ে বললো- শুধু পড়ালিখা না রে। টাউট -বাটপারি যদি শুরু করি। সেটাতেও A+ পাবো। আর তুই ফেল্টুস খাবি।
দুজন বের হলো। বিকেলবেলা হাঁটতে হাঁটতে মার্কেটের একটি ক্যান্ডিশপে ঢুকলো। কিছুক্ষণ পর দোকান থেকে বের হয়ে এসে -পড়ুয়া ছেলেটি-ওর বন্ধুকে দেখিয়ে বললো-দেখেছিস। কেমন করে তিনটি ক্যান্ডিবার হাতিয়ে নিলাম। দোকানি টেরই পায়নি। বলেই ক্যান্ডিগুলো শার্টের পকেটে রাখলো।
লাফাঙ্গা বন্ধুটিতো পুরোই অবাক। এরপর নিজেকে সামলে নিয়ে বললো- চল আবার দোকানে যাই। তোকে আরো কঠিন জিনিস দেখাচ্ছি।
দুজনে আবার দোকানে ঢুকলো। লাফাঙ্গ বন্ধুটি দোকানিকে বললো-ভাই, একেবারে টাটকা দারুন একটা ম্যাজিক দেখবেন ?বলেই -দোকানিকে একটি ক্যান্ডিবার দিতে বললো। দোকানি দিতেই পেটে চালান। তারপর আরেকটা , তারপর আরেকটা। পরপর তিনটি পেটে চালান করে দেয়ার পর। দোকানি বললো- এখানে ম্যাজিকেরতো কিছুই দেখলামনা।
লাফাঙ্গ বন্ধুটি হাসতে হাসতে বললো- ভাই আসল ম্যাজিকতো এখনই দেখবেন। আমার বন্ধুর পকেট চ্যাক করে দেখুন। তিনটি ক্যান্ডিবারই পেয়ে যাবেন।
দোকানিতো পুরাই অবাক। পড়ুয়া বন্ধুটিও হাসছে। দোকানি তাড়াতাড়ি পকেট হাতড়িয়ে দেখে, না পকেটে কিছুই নাই।
তারপর ঝাড়ি ঝেড়ে বললো- ঐ মিয়া ফাজলামি করেন? এখানে ক্যান্ডি কই। তিনটার ডাবল দেবেন। একটা হলো ক্যান্ডির দাম, আরেকটা হলো ফাজলামির দাম।
দুজন দোকান থেকে বের হয়ে এলো। লাফাঙ্গ বললো- দোস্ত বুঝলাম না। তোর পকেটের ক্যান্ডিগুলো গেলো কই?
তুই যে এই ঘটনা ঘটাবি তাতো আগেই বুঝতেই পেরেছিলাম দোস্ত। তাই তুই যখন একটা একটা করে ক্যান্ডি পেটে চালান দিচ্ছিস ঠিক তখনই পকেট থেকে বের করে আবার কেউ না দেখে মতো ক্যান্ডিগুলো ঠিক জায়গায় রেখে দিয়েছি।
মোরালঃ পড়ুয়া ছেলেদের ঘাটাতে নেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





