ও পুঁটি তুই যাস কই , একটু কথা আমার শোন,
কেমন আছিস ,পাচ্ছিস কি অল্প সাদা ভাত আর নুন।
শরীরটা তোর জলে ভিজে জ্বর হবে রে ভাই,
এ কেমন চেহারা গালে কোনো স্নো,পাওডার নাই।
ছি ছি এ খাবার খাসনে তুই, ও জলে কি মেটে তেষ্টা,
ডাবের পানি দিচ্ছি- এই নে চা , বিস্কুট, ডিম পরটা ।
সাঁতরে তুই ক্লান্ত হবি, আয়না দেখি আমার ঘাড়ে,
যেথায় যাবি নিয়ে যাই রে মনটা যে কেমন করে।
ভেড়া ভাই, ভেড়া ভাই, যাও কই, কই যাও?
এতো করে খাটছো তুমি , পাশে এসে জিরিয়ে নাও।
ইস কোথাও ঘাস নেই, আহা কতদিন এমনতরো
বলবেনা একটু আমায় না খেয়ে যে ক্ষুধায় মরো।
খাড়া বেয়ে যাচ্ছো তুমি হচ্ছে আমার ভয়,
কাঁধে ওঠো ও ভাই আমার কাঁদছে যে হৃদয়।
ভাইটি আমার শুকিয়ে গেছো, রোদে পুড়ে কালো,
কত জীর্ণ এ চেহারা দেখতে কেমন লাগে বলো।
চুলগুলো সব উসকো খুশকো আহা আমার ভাইটি,
আয় ভাই বুকে নেই আদর করে দেই মাথাটি,
অন্ধকারে দেখিস কিছু কোনটি ঘাস আর কোনটি লতা,
মুখে যেন ভাই কাঁটা না লাগে, তাতে আমি পাবো ব্যথা।
ভেড়া আসে নদীর ধারে , পুঁটির সাথে দেখা
জানিসরে ভাই জঙ্গলের এক আজব ইতিকথা।
বাঘ আমায় বুকে নিতে চায় ,আরো কথা আছে,
এবার নাকি পুরো জঙ্গল ভরিয়ে দেবে ঘাসে।
আরে বলিস কি, শোন তাহলে কি হয়েছে জলে,
হাঙর এসে আমার সাথেও আজ নানান কথা বলে,
পানির বদলে ডাবের জল, ডিম,পরোটা আর কত কিছু,
সামনে গিয়ে সালাম করে, আদব লেহাজ, মাথা করে নীচু।
বুঝলামনা হঠাৎ করে বদলে যাওয়া এ কীসের আয়োজন।
উত্তর বন আর দক্ষিণ নদে মনে হয় এসেছে নতুন নির্বাচন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




