অবৈধভাবে ভিপিএন/পক্সি ওয়ালাদের ধরতে র্যাব বাহিনী মাঠে নেমেছে। র্যাবের নামে অনেকে আবার জ্যাবও ভরছে। র্যাবের একজন এইমাত্র তাজা খবর পেলেন- শুধু শহরের পোংটা পোলাপাইনই না -অতি ইস্মার্ট ডিজুস পোলামাইয়ারা শহরে ধরা খাওয়ার ভয়ে একেবারে গ্রামে গিয়ে ফেবু চালানোর মতো এই জঘণ্য কুকামটি করছে।
র্যাবের এক করিৎকর্মা অফিসার তড়িৎগতিতে গ্রামে হানা দিলেন। খবর পেলেন- কৃষকের খামারবাড়ির টংঘরে পোলাপাইনরা পড়ালিখা বাদদিয়া ধুমাইয়া লাইক, কমেন্ট আর শেয়ারের ঝড় তোলেছে। অফিসার ভাবছেন- ফেসবুকের শেয়ার না বুইঝা যদি শেয়ার মার্কেট বুঝতো-তাহলেও জীবনের দূর্গতি না হয়ে একটা গতি হতো।
খামার বাড়ির কিনারে অফিসার এক বৃদ্ধ কৃষককে দাঁড় করিয়ে প্রশ্ন করলেন-
অফিসারঃ তোমার টংঘরে পোলাপাইনরা কি করে?
কৃষকঃ ( মনে মনে- তুই কার পুত !!!দেখেতো মনে হয় কালা একটা মান্দা ভূত। ) এইডা এইখানে কি করে? বাপ স্যার, আপনি কেডা?
অফিসারঃ আমি র্যাব। এইদেখো আমার জ্যাব। জ্যাবের ওপরে আমার ব্যাজ। তোমার টংঘর তল্লাসী নিমু। খবর আছে পোলাপাইনরা ঐখানে অবৈধ কাম করছে।
কৃষকঃ আপনি আমার বাপ। করেদেন মাপ। ব্যাজ দেখাতে হবেনা। আমি চিনছি। তয়, খবরদার। ঐ দিকে ভুলেও যাবেন না।
অফিসারঃ যাবো না মানে। এই ব্যাজ দেখে ডাকাত নানু সিকদার খাড়াৎ মুতে দিয়েছিলো- আর তুমি বলছো না যেতে।
কৃষকঃ তাহলে বাপ যা। নিজ খুশীতেই ল্যাং মারা খা।
কিছুক্ষণ পর- টংঘরের একেবারে সামনেই পাগলা ক্ষিপ্র ষাঁড়ের শিং এর আগায় অফিসার ঝুলছেন। আর চীৎকার করে বলছেন বাঁচাও, বাঁচাও।
এবার কৃষক বলছেন- বাঁচাতে পারবোনা। তুমি তোমার ব্যাজ দেখাও। ভালো করে দেখাও।
নানু শিকদার খাড়াইয়া মুতো দেয়, আর পাগলা ষাঁড় খাড়াইয়া গুতো আর কাতু দেয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




