(মূল লিখাটি ইমেইলে পাঠিয়েছেন এক বড়ভাই। ব্লগআইডি নাই তাই লিখতে পারছেন না। ফেসবুকে লগইন করতে পারছেন না-তাই স্ট্যটাস দিতে পারছেন না-তাছাড়া-কষ্টকরে লগইন করতে পারলেও লিখাটি পোস্ট করতে নাকি উনার খুবই লজ্জা লাগছে । আমিতো পড়ে হোহো করে হাসলাম- এখনো হাসছি। হাসি যে থামতেই চায়না
স্থানঃ ভিপিএন চেকিং পয়েন্ট , চানখারপুল। সময়- সন্ধ্যা ৬ টা।
স্যার, মদনারে বেশী ঘাটাইয়েন না । ও ম্যালা পুংটা আছে। চেক করার দরকার নাই। ওরে আপনি ছাইড়া দেন।
অফিসারঃ ছাইড়া দিমু মানে। ওকি তোর হুমন্দি লাগে??
মদনা দাঁত ক্যালাইয়া হাইসা চেগাইয়া সামনে আগাইয়া যায়।
অফিসারঃ এই মদনা সামনে আয়। ফেসবুক চালাস?
মদনাঃ জ্বি চালাই।
অফিসারঃ কেমনে চালাস? ফোন বাইর কর। চেক করি।
মদনাঃ আমার এক হাতে মাটা, আরেক হাতে আটা। আপনি একটু কষ্ট কইরা প্যান্টের পকেটে হাতাইয়া নেন স্যার।
মদনা আগে থেকেই ভাব বুইঝা তার লম্বা পাল্টুনের নীচে শিশু পাল্টুনখানা খুলে পকেটখানা ফুটা কইরা রাখছে।
অফিসার বামপকেটে হাতাইয়া কিছু না পাইয়া চোখ রাঙ্গান। মদনা চোখের ইশারায় এবার ডান পকেট দেখিয়ে দেয়। অফিসার ডান পকেটে হাত ডুকিয়ে চিক্কুর দিয়া ওঠে - ওরে আমার হাত ধোঁয়ার জন্য লাক্স সাবান আর পানি নিয়া আয়। ভিপিএন চেকের গোষ্টি কিলাই- চেংগি মাছ আমার ইজ্জতের একেবারে পাংচার কইরা দিছেরে।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




