
আমারা ঘর কোনে থাকার মত জাতি মোটেও না। পরের উপকারে পাশে দাড়াতে মরিয়া হয়ে উঠি এটা আমাদের জাতিগত বিশেষ গুন। এমনকি বাংলাদেশের মানুষ পরের বিপদে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে এগিয়ে আসে তা আমরা সকলেই জানি। এটা আমাদের ঐতিহ্য।রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় সাধারণ মানুষ যেভাবে ঝাপিয়ে পড়েছিল তাও মনে রাখার মতো। কিন্তু অতি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক ওয়ালে নাম না জানা অনেক বেওয়ারিশ ব্যক্তি এবং সংগঠন বিকাশের পার্সোনাল একাউন্ট নম্বর দিয়ে তাতে সাহায্য প্রেরণের আহবান জানাচ্ছে যা হিতে বিপরীত হতে পারে।যারা ফেসবুকে বিকাশ নম্বর দিয়ে রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্য কামনা করছে তারা সকলেই চাঁদাবাজি করছে তা ঠিক নয় তবে অনেকেই তা করছে। বিষয়টি শুধু অমানবিকই নয় বরং তা মানবতার জন্য লজ্জার। দেশের ছোট বড় প্রতিষ্ঠান, এনজিও, সামাজিক সংগঠন এবং স্বচ্ছল ব্যক্তিবর্গ অন্যান্য বিপর্যয়ের মতো রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবে সেটাই আকাঙ্খিত। কিন্তু পাড়া-মহল্লার বেকার যুবকরা যেখানে নিজেরাই চলতে পারে না সেখানে তারা যদি রোহিঙ্গাদের জন্য ফেসবুকে নোটিশ দিয়ে পয়সা কুড়িয়ে বেড়ায় তা অবশ্যই বিপজ্জনক হতে পারে। গ্রহীতা যদি হঠাৎ দাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় তবে তাতে সন্দেহের হওয়া স্বাভাবিক। সময় থাকতেই এ ব্যাপারে লাগাম টেনে ধরতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ভোর ৪:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



