
মূল রচনাঃ শিক্ষাঙ্গণের রাজনীতিতে/প্রামানিক
প্রামানিক বচনঃ
শিক্ষাঙ্গনটা পার হতে ভাই বয়স হয়রে পার
বেকার জীবন চলতেই থাকে চাকরী হয়না আর
যাদের ছেলে বিদেশ পড়ে পাশ দিয়ে সব এসে
এই দেশরই কর্ণধর হয় মালিক মহাজন বেশে।
মোর কেত্তনঃ
কেমনে কইলা পেডের খবর
জানো নাকি কুফরি;
কইছ যা সবি ঠিক
সুপার তোমার খুপরি।
পাঁচ বছরের কোর্সটা হুদাই
হইলো খতম আটে;
বাইর হইয়া দেখি বাতিল আমি
পড়ছি পুরাই বাটে।
রাজনীতিতেও বেইল নাই মোর
পোষ্ট বেচা যায় ট্যাকায়,
বিসিএসের বয়সও শেষ
পড়ছি বিরাট ঠ্যাকায়।
বাড়ীত গেলে বাবায় কয়
আর কতো খাবি ফাও;
গার্লফ্রেন্ডও ফাঁপড় মারে
জলদি বাড়ীত নাও।
ওরে খোদা কোন দুঃখে
পড়ছি সাধের ঢাবি;
ডাঙায় পরা মাছের লাহান
খাইছি খালি খাবি।
বিরাট আশায় দিলাম শেষে
নেতার বাড়ীত ধর্ণা;
চিড়বিড়াইয়া চেইত্তা উঠে
নদীত গিয়া মর না !!!
ব্যবসা করুম পকেটে নাই
পাঁচ পয়সার মুরোদ;
ভরসা মধু বাকীতে খাই
চা-সিগারেট ফুড়োৎ।
করছি যহন নেতাগিরি
কত্ত ছিলো টোকাই;
এক হারামী বুদ্ধি জোগায়
বস চলেন করি ছিনতাই !!!
টিউশানিতেও মন বসেনা
সিলেবাস সব চেঞ্জ;
পুলাপানে ইংলিশ ঝাড়ে
আউট অফ মাই রেঞ্জ।
চাকরীর আশায় এক অফিসে
যেই করছি নক;
পিওনে কয় মাফ কর ভাগ
৪২০ভোল্টের শক !!!
খোদারে খোদা কোন দুঃখে
করছি সাধের রাজনীতি;
ফকির সাজাই বাদ আছিলো
এডুকেটেড ভিক্কাবৃত্তি।
সার্টিফিকেট ফেরী করি
দেন্না একখান চাকরী;
পিওন মেথর একটা কিছু
কিংবা ফাড়া লাকড়ি।
লেখাপড়া শেষ করে
খোকা হবে বিদ্বান;
মা জানেনা খোকা তার
কাঁদে রমনার উদ্যান।
গনি মিঞা ধণী কৃষক
যতই কর মজায় হেলা;
গনি চাচাই মডেল অহন
আমগো গুনে ফকির্নির পোলা।
লেখাপড়ার গুষ্টি মারি
জন্মই মোর আজন্ম পাপ;
মরার দেশে থাকতে ভালো
লাগবো যে এক ধণী বাপ।
দিনগুলি মোর কেমনে গেছে
ভাবলে উঠে শইল্লে কাঁপ;
সব নেতারা ঠাডায় মরুক
কইলজা থিকা অভিশাপ।
হায়রে সাধের রাজনীতি
আদর্শের-ই ফুলঝুড়ি;
নেতা পাইলে থুঃক মাইরা কই
রাজনীতির খেতা পুড়ি।

উৎসর্গঃ
আজকাল তিনি নেতা
আমি তার সৈনিক;
জয় হোক হিজ অনার
ছড়ারাজ প্রামানিক।
ছবিঃ
নেট ছাড়া অধমের
নেই আর রাস্তা;
টুপটুপ ছিপ ফেলে
পেষ্ট করি সস্তা।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




