
তোমার আকাশ স্নিগ্ধ হাওয়ায়-মুগ্ধ ছড়াক শত,
শরীর জুড়াক জোছনা তারার আঁধার আলোক যত।
মেঘের কোলে ঘুমিয়ে থেকো-শ্রাবন মেঘের মতো,
বৃষ্টি হয়ে শীতল করো-তপ্ত হাওয়া পথও।
স্বপ্ন যখন এসেই লুকায়-শুন্যে বসত ঠাই,
তখন তুমি লেপটে থাকো,তোমার ছেলের গায়।
চাঁদের বুকে তোমার ছায়া,রংধনুতেও তাই ;
আঁধার রাতে হারিয়ে তোমায়-পূর্ণিমাতে পাই।
কাজের ভিতর ডুবি যখন তোমায় ভুলে থেকে
তোমার শিখন মাথায় রাখি কাজের ছায়া এঁকে।
কঠিন মাঝে তোমায় স্মরণ সহজ মাঝেও তুমি,
তোমার মাঝেই দেশের হৃদয়,প্রাণের জন্মভুমি।
চোখের তাঁরায় সূর্য আঁকো,জোছনা মাখাও তার পায়
দুঃখের পায়ে শিকল বেঁধে,অমোঘ তাড়াও নীলের ছায়!
সহ্য করো কাল বৈশাখী ব্জ্র মেঘের হামলাও
ও-মা তুমি,একলা এতো-কেমন করে সামলাও?
এক আঁচলে স্বপ্ন দিনের,রাতের আঁধার আলোক চায়,
আঁধার ঝরে যে প্রান্তরে-পূর্ণিমা তার প্রান্তে ঠাঁই!
ভাবনা সকল যায় গুলিয়ে দুর্ভাবনা পায়না যুত,
তুমি মাগো-কেমনে একা,সকল কাজে হও নিখুঁত?
শক্তি করে মায়ের সোহাগ-বাঁধার পাহাড় উপড়াই
আঁধার ঠেলে আলোয় ছুবো,মায়ের স্নেহে শীর্ষে ঠাঁই।
স্বর্গ মাঝে আবাস গড়ুক,স্বপ্ন মায়ের-সুখের বাস,
তোর ছায়াতে পালাক দূরে-অসুর সকল সর্বনাশ।
ভুলের পথে পড়লে কদম,পিছন ফিরে ডেকো-
শুনো-মা,আমি ভালো আছি,তুমিও ভালোই থেকো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


