
একাকীরাও কখনও কখনও-সঙ্গী পায়,
হয়তো ছায়ার আয়নায় মুখোমুখি দাঁড়িয়ে
সে-ও কথা বলে,অদৃশ্যের তুলিতে আঁকে স্বপ্নের অবয়ব,
শিস দেয়,ভেংচি-কাটে,আবার দাঁত বের করে হাসেও!!!
কারো একাকীত্ব এতোটাই বীভৎস ঘুটঘুটে-
সেখানে ছায়াটাও থাকেনা,আয়না-সেতো
সাতসমুদ্র তের নদী কল্পনায় ডুমুর!তাই-
খেয়ালী আবহেলার-সেই আমিটাকে,
এখন আর খুঁজে পাইনা আমি...।
সত্যের মতো অদৃশ্য,বিবেকের মতো নিখোঁজ,
ন্যায়ের মতো অতীত আর মানবতার মতো নিরুদ্দেশ সে।
তার ছিল গঙ্গাফড়িঙ চপলতা,বলগা হরিণ দাপাদাপি
সন্ধ্যাকে জড়িয়ে ধরার আগে,দুষ্ট গোধূলির লাজুক হাসির মতো-
স্বপ্নটা ছিল টকটকে লাল-মায়াবী দ্রোহের অনল
যে স্বপ্ন একদিন ছাঁদখোলা আকাশ চেয়েছিল মাথার উপরে
যে আকাশে বাধাহীন ইচ্ছেরা ডানার নৃত্যে উড়বে
সোহাগে আদরে কপালের বদলে চাঁদমামার কোমল টাঁকে
চুম্বন চাষে এঁকে দিবে শান্তির আগামী-মুগ্ধ বাতায়ন।
আর পায়ের নিচে চেয়েছিল শক্ত মাটি,যেখানে সে
পড়তে পড়তে দাঁড়াতে চেয়েছিল
হাঁটতে হাঁটতে দৌড়াতে চেয়েছিল,আর
কষ্ট বেদনাকে ঘুমের মায়ায়-
নিশ্চিন্তের ছায়া দিতে চেয়েছিল।
কোথায় খুঁজবে,সে আমায়-তালাসের পথে ?
বিরান পিঞ্জরের তটরেখার রঙধনু আঁচর
সে আমি নই,আমার কবিতা!
অনল বেদনার দহনে-শ্মশানও বলতে পারো,
সেখানে সমবেত বঞ্চিত,হাহাকার ভিড় করে
গগনবিদারী আর্তনাদ আগুনের লেলিহানে শরীর মাখে-
নৈবেদ্য প্রেম,পোড়া গন্ধ আর বিমূর্ত আঁধার।
ওখানে উঠেনা একটুও রোদ, স্যাঁতস্যাঁতে ভীষণ,
পিছলে যাবার ভয়ে-তুমিও আসনি কোনদিন।
মেঘের চাদরে লুকিয়ে থাকা-একান্ত আকাশটা কাঁদলে-
আমি ভিজে চুপচুপ,লোনার প্লাবন তখন-ঢেউ হয়ে
আছড়ে পড়ে বুকের সে বাম পাশটায়।
যেখানে হারিয়েছি মন,বসত গড়েছে এখন,
মৃত আমি-একজন কিরমানী লিটন।
যেখানে রেখেছ হাত-ভেবেছিলে সেখানেই থাকে মন ?
সত্যি নয়,ওটাই আমি-আমার মৃত সংস্করণ!!!
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




