
এক.
মানচিত্রের শিকড় ধরে
টানছে শকুন- চিল,
শোকের ছলে সুখের ঢেকুর
তালকে বানায় তীল।
তাল গাছটা আমার হলে
তবেই বিচার মানি,
নইলে ডাকো মনিপুরী
জলকে বলে- পানি।
তালের নেশায় মাতাল হয়ে
ডগায় পাতো বিছানা,
প্রজায় কি আর নাগাল ছুঁবে
সত্যি বলছি- মিছা না !
কাঁঠাল গাছটা জন্ম নিল
বাবার মোঁচের তেলে,
মাকাল গাছটা দেশের জন্য
আগ্রহ নেই বেলে।
মান্দা গাছে বান্ধা আছে
ভিন্ন মতের যতি,
শ্যাওড়া গাছের ভূতের ছায়া
প্রধান বিচারপতি।
আম গাছটা মায়ের নামে
জাম গাছটা মামার,
দাদার আসন বটগাছটায়
তাল গাছটা আমার।
বট গাছটার মাথাায় দাদু
চেচিয়ে উঠে বলে,
মাইন্ক্যা চিপায় আটকা স্বদেশ-
ইঁদুর মারার কলে।
দুই.
গংগা জলে ডুবলো স্বদেশ
ভাসলো শুধু সিংহাসন,
প্রজার কপাল পুড়লো শুধু
বাড়লো আরো দুঃশাসন।
কাঁদলো আাকাশ হাওড় বিলও
ভাসলো মানুষ ডুবলো পথ,
নেতায় তবু মোহের ঘোরে
থামছে না তার মিথ্যে রথ।
কোথায় বিবেক- কোথায় তারা
জ্ঞানের তাবিজ বেঁচতো যারা,
বানের জলে ডুবলো সবই
গর্তে পানি ডুকলো না.....
এরই মধ্যে এক খেপাটে
হাতের কলম ছাড়ছে না,
দিনের শেষে রাত্রি আসে
আধাঁররা- সব দেয় হানা!
তিন.
তোমার বাঁশি তোমার বাতাস
তোমার ঠোঁটের ফুঁক,
তাকেই বলো শব্দ-দুষন
ভয়ের কাঁপন বুক।
আমরা না হয়, চুনপুড়া মুখ
ঘোল মেলে না, ঘি- বিস্বাদ,
পান্তা বিহীন কাঁনা-বগী
পুঁটির চাওয়া- দূরের চাঁদ।
এই নে বুবু, সবকটা তাল
এই নে, তালের গাছ,
অনেক হলো আর দিস না
উঁফশী শাষন- বাঁশ।
তোকে দিলাম- জজের কলম
ষাট টাকা সের- চালের ভাত,
ইচ্ছে জোড়ায় মই বানিয়ে
আকাশ ছোঁয়ার তৃপ্তি- স্বাদ।
তোর জন্য নোবেল প্রাইজ
বলুক সবে, দ্যুয়ো- ধিক্,
একশো একাই ঠোলার বদন,
আঁচল তলে- ছাত্রলীগ!
এই নে বুবু, মানচিত্র
এই নে বুবু- পতাকা,
এই নে বুবু, দৈত্য চেরাগ
সংবিধানের পাতাটা।
দোহাই একুশ- স্বাধীনতা
সূর্য সেন আর- প্রীতিলতা,
জীবনান্দ, রবি, নজরুল
দোহাই মা, তোর বনলতা।
কাক পুষেছো তাড়িয়ে কোকিল
জজ খেদানো ভয় ঘুষি- কিল,
দোহাই লাগে, জাতির পিতার
থামাও বুবু- ভাঁড়ের উকিল।
অতীত আগাম- উজাড় করে
বতর্মানের রাত্রী- ভোরে,
স্বপ্ন দিলাম, সাধ্য দিলাম
সব নে বুবু - বাঁচার দরে!!!
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




