
প্রিয় পেঁয়াজ,
তোমার মসলিন শাড়ীর গোলাপী রঙের আড়াল। তার গভীরে লুকিয়ে রাখা লাবন্য। যার প্রতি দূর্ভাগা বাংলাদেশীদের, আবেগী দূর্বলতা- তুমি জানো। এও জানো, তোমাকে বিসর্জনের আয়োজন- এখনও জোয়ার আনে- রেল লাইন সমান্তরাল বয়ে যাওয়া বাঙালির- দু'চোখের নদীতে। সেই চির আপনের আপন হয়ে তুমিও কিনা- ডিজিটাল তেলেসমাতীর আছরে রূপবানে নাচো- কোমড় দুলাইয়া....। নৌকার পালে তহবিলের জ্বালানি হয়ে।ওদিকে তোমার অঙ্গ সংগঠন কাঁচা মরিচের- চোর পুলিশ দৌড়ানী দেখে মনে হচ্ছে, ওকেও ডিবামগুনিয়া( ডিজিটাল বাকশালী ম্যাজিক= ডিবাম) আছর করছে। চালতো কবেই চুতিয়া সেঁজে আমাদের নাগাল থেকে উধাও। চল্লিশ টাকা সের ঘাসকে শাঁক বলে খাচ্ছি। বিশুদ্ধতা এখন বনবাসী মন, মগজ, চিন্তা-চেতনায়। তাই বুঝি তোমার এই মধ্য আয় ডিঙিয়ে এক লাফে উচ্চ আয়ে পৌছে যাওয়ার বাসনায় আজ এ পিঁয়াজমাতি খেল। বাহ! বেশ মানিয়েছে তোমায় 'বাল-ই' অবয়বে। চাল, ডাল, নুন, তেল, গরুর, মাংশের মতো তোমাকেও আজ থেকে 'বাল-ই' খাচার আদরে পোষা সোহাগী সহচর মনে করবো । ইচ্ছে হলেই যারা সাধ্য হতে দূরে চলে যায়, শাস্তি দেয়। ভোগায়- উপোষের ভয় দেখায়, ক্রসফায়ারের মতো এ দূর্ভাগা বাংলাদেশীদের।
সুখে থেকো তুমি- আমাদের নাগালের অনেক দূরে থেকেও..
ইতি
উল্লাসী- উফশী বাঙালী নই, দূর্ভাগা হলেও খাঁটী বাংলাদেশী
তোমার ভক্তকুল!!
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




