-ভাবি, আপনার ছেলে কোথায় চান্স পাইছে?
-ও এইবার হার্ভার্ডে চান্স পাইছে ভাবি। আলহামদুলিল্লাহ।
-ও হার্ভার্ড! ক্যান, বুয়েট-মেডিকেলে চান্স পায়নাই?
উপরের সংলাপটি কাল্পনিক, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি আসলেই এমন।
আকাশের যেমন কোন সীমা নেই মানুষের স্বপ্নেরও কোন সীমা থাকতে নেই।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি আমরা নিজেরাই আমাদের স্বপ্ন দেখার একটা নির্দিষ্ট লক্ষণরেখা তৈরী করেছি যার বাইরে আমরা চাইলেও যেতে পারিনা।
অবশ্য এর জন্যে দায়ী আমরা নই, আমরা পরিস্থিতির স্বীকারমাত্র। ছোটবেলা থেকেই আমাদের মধ্যে খুব ভালমত বদ্ধমূল হয়েছে বড় হয়ে আমাদেরকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার অথবা ব্যাংকার হতে হবে। এসব না হতে পারলে জীবন বৃথা। এরাই কেবল সমাজে বর্ণশ্রেষ্ঠ বাকীসব কেবলি সাধারণ!
আমরাও নিজেদের স্বপ্নের বেসাতি একে ঘিরেই গড়ে তুলি, এর বাইরে ভিন্ন কিছু চিন্তা করতে পারিনা। কেউ যদি খুব ভাল গান গায় সেও চিন্তা করতে পারেনা বড় হয়ে গায়ক হবার। আর যদিও বা সে চেষ্টা করতে যায় তাহলে পরিবার বা সমাজ থেকে তার উদ্দেশ্যে একটা বাণীই ছুটে আসে, 'ছেলে বখে গেছে'।
আমি নিজেও স্বপ্ন দেখার এই লক্ষণসীমাটাকে অতিক্রম করতে পারিনি। কিন্তু আমি চাই আমার সন্তান আকাশের মুক্ত পাখির মতই স্বপ্ন দেখতে শিখুক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


