
অ আ ক খ থেকে লেখালেখি শুরু হয়, আমরাও বড় হই। বানান, বাক্য এবং ব্যাকরণ। শব্দে মনের ভাব প্রকাশ হয়।
কেউ বক্তা হয়, কেউ হয় লেখক। বক্তারা ভাষণ দেয়। ভাষণে বাক্য ব্যাকরণ নিষ্প্রয়োজন। বক্তার বক্তব্য শ্রুতারা বুঝেন। পাঠককে বুঝাতে হলে বাক্য এবং ব্যাকরণ অপরিহার্য।
অপরি-জ্ঞাত, অপরি-জ্ঞেয়, অপরি-মার্জিত, অপরি-পাটি, অপরি-পক্ক, অপরি-মাণ এবং অপর্যাপ্ত শব্দ অপরি-বর্তনীয় হলেও মনের ভাব এবং প্রকাশের মাধ্য পরিবর্তনশীল। অপরি-শুদ্ধ, অপরি-শোধ, অপরি-শোধ্য শব্দের শুদ্ধ ব্যবহারের জন্য অভিধান দেখতে হয়।
অপরি-ণাম-দর্শী লেখক এবং বক্তারা ব্যর্থ হয়। অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা না করলে বক্তারা বিপাকে পড়েন।
উত্তরোত্তরে বক্তারা বিপদুত্তীর্ণ হলেও লেখকদের নিস্তার নেই। বেশির ভাগ বক্তার রাজনীতি করেন। লেখকরা টানাটানি করে চলেন।
আমি যা বলতে চাই তা হলো, লেখকদেরকে ষোলোআনা সর্তক হতে হয়। একটু উনিশ বিশ হলে ভুষ্টিনাশ হয়। জমা টাকা দিয়ে বই ছাপিয়ে অবিক্রিত বইর স্তুপ দেখলে কলিজায় মুচড়ায়। স্ত্রী সন্তানকে আশায় রেখে লেখকরা নিরাশ হয়। এসবের জন্য লেখকই দায়ি। বিধায় বই প্রকাশ করার আগে বিজ্ঞদের উপদেশে উপদিষ্ট হলে সবার মঙ্গল হয়।
নিচে কিছু শব্দ দিলাম। অভিধানে আছে।
উত্তিষ্ঠ, উত্তুঙ্গ, উত্তুরে, উত্তেজনা, উত্তেজন, উদ্দীপনা, উৎসাহ, উত্তোলন, উত্তোলিত, উত্যক্ত, উত্থান, উত্তরোষ্ঠ, উত্তরাষাঢ়া, উত্তরাশা1, উত্তরাশা2, উত্তরাস্য, উত্তরীয় ….
লেখার স্বত্ব আছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



