
এই জীবাণু প্রথম গুপ্তঘাতক ছিল এখন মারাত্মক আকারে মড়ক হয়েছে। সংক্রমণ অনিয়ন্ত্রিত হলে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা অর্ধার্ধি হবে। ন্যায়সংগত অথবা যুক্তিসংগত তর্ক আমাদেরকে উদ্ধার করতে পারবে না, সাধুকে সাবধান করেও লাভ হবে না। রাজা-উজির মারা মার্কা প্রতিপত্তিশালীর বার্তায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার প্রয়োজন নেই, যথেষ্ট তথ্য দিলেই উদ্বাস্তুরা সন্তুষ্ট হবে, অন্তত উপোস করে হলেও অপমৃত্যুর হাত থেকে নিস্তার পাবে। এই নরান্তক ব্যাধির প্রতিষেধক পদার্থ তৈরী করে অনেক গবেষকের নামের সাথে অপদার্থ শব্দ যোগ হয়েছে। প্রতিষেধনের জন্য প্রতিষেধকের প্রয়োজন কিন্তু প্রতিষিদ্ধের জন্য নিষিদ্ধ পদার্থে প্রতিষেধক হবে না। আরজ আরজির জন্য হুজুররাও আজুরা আদায় করতে শুরু করেছেন, বিধায় হাঁইহুই না করে ধৈর্যের সাথে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা সমিচিন হবে।
"হে ইমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করো, নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।" (সূরা বাকারা আয়াত নং ১৫৩)
বিশুদ্ধ বিশ্বাস এবং ধৈর্যের সাথে গবেষণা করলে সত্বর প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হবে।
মনে রাখবেন, রোগের বাড়াবাড়ি, মারণমন্ত্র এবং আচরণে সীমালঙ্ঘন কেউ পছন্দ করে না।
Copyright © by Mohammed abdulhaque
ছবি নেট থেকে
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




