ছোট একটা জীবনে
কত শত শ্রাবণ বয়ে গেল!
হৃদয়ের শূণ্যতা যেখানে হাফ ছাড়ে
সেই পর্বেই বারে বার হৃদয় যে হায় তৃপ্তি পেল।
অসীম শূণ্যতার কুড়ে ঘরে তুমি একখান বাতি
নিভূ নিভূ পরিচয়, তবু যেন জনম জনমের ক্লান্তি বিনাশ
তুমিই সেই চন্দ্রীমার রাতি।
হর-হামেশা মায়া মায়া ইন্দ্রজালে রয় তোমার স্থিতি
শুধু নিজ পরান তোমায় দেখে
বাকিসব অবুঝ, নির্দয় এ অন্ধ ক্ষিতি।
তুমি জান না!
তুমি যে হায় কুটম্বী, আত্বার আত্বিয়া, নগর পাথারের বাসিন্দা
পেছনের শ্রদ্ধা হোক লুট ওগো সবিতা,
ছোট্ট এ জীবনের চলন হোক সুখিত, কাঁদিয়া কাঁদিয়া!
তোমার চোখের ভারী অশ্রু গড়াইয়না পরানে
আরো কত উন্মাদনা চাও ?
যে টুকু সুখ ছিল, তার সবি-ই ত বিসর্জন দিলাম তোমার চরণে।
তীর্থ আবেশ মূড়িয়া লও, বয়স যে হায় দিনে দিনে বৃদ্ধ ডগায়
লোক মুখের তিক্ততায়, নিষিদ্ধ এ বাসনায় অন্তর যে হায় ক্রন্দনে উছলায়।
তবু শান্ত কর পরান,
ভালোবাসিব দুর থেকে, রইব দু’জন দু’জনের অতীত চারণায়!
ভাঙ্গিবনা শৃঙ্খল, রইব দু’জন দু’জনের গৃহিত জাগায়।

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




