গুরুচন্ডালির [লিংক=যঃঃঢ়://মঁৎঁপযধহফধষর.পড়স/মঁৎঁপযধহফধষর.ঈড়হঃৎড়ষষবৎ?ঢ়ড়ৎঃষবঃওফ=8্ঢ়ড়ৎষবঃচধমব=1]টইপত্তর[/লিংক] আমার খুব প্রিয় একটা জায়গা।
আজ ওখানে গিয়ে দেখলাম, [লিংক=যঃঃঢ়://মঁৎঁপযধহফধষর.পড়স/মঁৎঁপযধহফধষর.ঈড়হঃৎড়ষষবৎ?ঢ়ড়ৎঃষবঃওফ=8্ঢ়ড়ৎষবঃচধমব=2্পড়হঃবহঃঞুঢ়ব=পড়হঃবহঃ্ঁৎর=পড়হঃবহঃ392]একজন বলেছেন[/লিংক], তাঁর জ্ঞান অনুযায়ী, বাংলাদেশে বিসর্গ আর চনদ্্রবিন্দুকে তাদের প্রয়োগ আর ব্যবহারের স্বল্পতার কারণে বাংলা বর্ণমালা থেকে লুপ্ত করা হয়েছে।
সত্যিই নাকি?
কাদের সিদ্ধান্ত এটা? বাংলা একাডেমির? কেউ কি কিছু জানেন?
যিনি বলেছেন তিনি এখনো কোন সূত্র উল্লেখ করেন নি। আমি ভাবছি এরকম একটা হঠকারী সিদ্ধান্ত বাংলা একাডেমি কেমন করে নিতে পারে?
এ ব্যপারে নির্দিষ্ট তথ্য পেলে খুব ভালো হয়।
কেউ কি জানাতে পারবেন?
---------------------
তথ্যসূত্র জানা গেলো।
কোরিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনের দ্্বারা 2000 সালে প্রকাশিত বাংলা-কোরিয়া অভিধানে যে বর্ণমালা প্রকাশিত হয়েছে তাতে স্বরবর্ণে 9 (লি) আর ব্যাঞ্জন বর্ণে বিসর্গ ও চনদ্্রবিন্দু নেই।
এর কারণ জানতে গিয়ে ওখানকার বাংলাদেশিদের কাছ থেকে জানা গেছে, বাংলা একাডেমী বর্ণমালার সর্বশেষ পরিমার্জন ও সংশোধনের পর যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে এই বর্ণ গুলো বাদ পড়েছে।
আরো স্পেসিফিক তথ্য চাচ্ছি। কেউ জানাতে পারবেন?
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



