তৃতীয় মাত্রা শুরু হয়েছে। আহসান সাহেবের ঘনিষ্ট একজন রাজনীতিবিদ আজকের অতিথি। সালামকে ডেকে নিয়ে বসেন টিভি রুমে। সালামকে অবশ্য মাঝখানের টিভি কমার্শিয়ালগুলো আকর্ষণ করে। সাহেব তাকে জিজ্ঞেস করেন, আজকে সারাদিন কি করলি ফিরিস্তি দে! সালামের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে, দুপুরে শেফালীর সাথে হালকা চাপাচাপি হয়েছে, সেটা কি মালিক তাহলে জেনে গেল! ভীত হয়ে পড়ে সালাম। আহসান সাহেব জিল্লুর রহমানের প্রানহীন কথা শুনতে শুনতে এবার বুঝিয়ে বলে, তুই যে এত খাস, তারপরেও তোর পেট ঝোলে না দেখছি, ব্যায়াস-ট্যাম করিস নাকি! সালাম এবার আশ্বস্ত হয়, সাহেব বোধহয় স্ফুর্তিতে আছে! মনে মনে বলে, আমার কি ঝোলবে, কতদিন পরে দেখবেন, শেফালীরই ঝুলিয়ে দিয়েছি!
কি যে বলেন সাব! আমি খাই বেশী সেতো খাবার থেকে যায় বলে, আমি না খেয়েও কত দিন কাটিয়েছি! আহসান সাহেব বলেন, ওই হলো, বেশী খেলে তো শরীরে কোলস্টরেল জমে, শরীরের মধ্যে রক্তের চলাচল ঠিক মত হতে পারে না, যার জন্য রোগ শোক হয়। তুই বেশী খেলে আমার কোন আপত্তি নেই, কিন্তু শরীর সুস্থ্য রাখার জন্য কম খাওয়াটা জরুরী। সালামের এবার হাসি বেয়ে পড়ে চোয়ালে, সে বুঝতে পারে, স্যারের ভুরি নিয়ে চিন্তা বেড়েছে। এমনিতেই এখন একটা পেটমোটা মুড়ির টিন হয়েছে, তারপরে সাহেবানীর সাথে কোন পার্টিতে যাবার সময় আস্ত একটা রামছাগলের মত লাগে। খিক খিক করে হেসে ওঠে নিজের অজান্তেই। আহসান সে হাসি শোনে না। চ্যানেল ফ্লি্লপ করতে থাকে আলজাজিরা আর চ্যানেল আইয়ের মধ্যে। কি বললি না! কি করিস সারাদিন!
সালাম বলে, স্যার, সকালে তো আমি রুটি খাই না, জলভাত যা থাকে সেগুলো ফালাই না, ভাত ফেলে দেয়া হারাম! শেফালীরা তো গরম ভাত খায়। আহসান বলে, ব্যাটা গর্ধভ, খাবার কথা বাদ দে, সারাদিন শুধু খাই খাই লেগে থাকে। বল তুই কি কাজ করিস, ডিটেইলসে বল! সালাম এবার কুঞ্চিত। ডেইলী দুইবার যে সে বাথরুমে বসে নিজের সাথে কাম খেলে এবার বোধহয় সে তথ্য ফাঁস হয়েই গেল!
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



