বনবাতাসী আছে বলে লিখি। সেদিন তাকে বলা হয়নি, তুমিই লেখার প্রেরণা। তুমি নেই, কোন গোলার্ধ নেই, ভরশূণ্য আমি। রাত্রে তাকে বাসায় ফিরিয়ে দিয়ে যখন রাস্তায় কিছু পাচ্ছিলাম না ঘরে ফেরার, তখন হাঁটছিলাম এলোপায়ে। সা করে একেকটা গাড়ী চলে যায় পাশ কেটে আর আমি পিচে টায়ারের ঘর্ষনে নিজের বুক পেতে দিতে দেখি। ইদানীং রাত্র 11 টা মানে অনেক রাত্রী। হেঁটে চলা পথচারী খুবই কম। আকাশের দিকে তাকিয়েও হাঁটা যায়। আমি তাই করতে গিয়ে চাঁদ আবিস্কার করলাম। চাঁদের চারিপাশে অসংখ্য তারাও। চাঁদটা পূর্ণ নয় বলে তারা গুলো দৃষ্টিগ্রাহ্য হচ্ছে। একটা তারা বেশ উজ্জ্বল। মনে হলো বনবাতাসী ঐ তারাটাই হবে। তারা হয়ে হারিয়ে যাবে অচিরেই। তারারা নিদৃষ্ট করতে পারে না মর্তের মানুষদের। সে আমাকে আর আলাদা করতে পারবে না। তাকিয়ে তাকে দেখবো আর দেখবো, আমার সে দেখা শেষ হবে না কোনকালে।
এটুকু লিখতে চোখ দিয়ে পানি গড়ানোটা ঠিক হচ্ছে না। চোখের পাশে পানি শুষে নেয়ার একটা যন্ত্র বসাতে হবে। তবে অনেকদিন আগে যখন শ্যমালিমা এক রাস্তা ধরে হেঁেট যাচ্ছিলাম আমার বুকে এসে বসেছিল এক স্বপ্নচড়ুই! কোন একদিন হয়তো উড়াবে বনবাতাসী। ঠিকই সে এলো, আবার চলেও গেল। বনবাতাসী বেশীক্ষণ থাকে না, কেবল বিধ্বস্থ করে দিয়ে যায় যাবার বেলায়। কোন বিধ্বস্থতা সারাজীবনের যেন আর শুধরে নেয়া যায় না, কেবল তার গমন দেখতে হয়। বলতে হয়, ধরবো না আর ইশ্বরী, বিশ্বাস করো, তুমি তারা হও, তুমি চাঁদ হও, তবুও হারিয়ে যেও না। দেখতেতো পারবো চোখের সামনে!
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ২:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



