তৃতীয় সপ্তাহে যেটা কেবল একটা মাংশপিন্ড থাকে নবম সপ্তাহে তা মাথা, বাহু, পা ও শরীরের উপরের অংশ তৈরী করে। এ অব্স্থায় মাত্র ৩০ মিলিমিটার দৈর্ঘ্যে হলেও সামনের সপ্তাহগুলোতে তুলনামূলকভাবে বেশী বৃদ্ধি পেতে থাকবে। ফলশ্রুত শরীরের ওজনের পরিমানও বাড়বে। লেজ পুরোপুরি খসে পড়ে এসময়ে এবং শিশুর মাংশপেশী ও অংগগুলো নিজেদের মত কাজ শুরু করে দেয়। এ সপ্তাহে তার চোখের উপরে একটা চামড়া ঢেকে থাকে যা সাতাশতম সপ্তাহ পর্যন্ত থাকবে। এ সময়ে তার যৌনাঙ্গ গঠিত হতে থাকে যদিও লিংগ বুঝতে বিংশতম সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
নবম সপ্তাহে ওজন বেড়ে যাবার অন্য কারণগুলোর একটা হচ্ছে শরীরে পানি জমতে থাকা। দিনভর ওজনের বৃদ্ধি বা কমতে থাকা চলতে পারে – এটা মূলত নির্ভর করে অহেতুক দুশ্চিন্তা নিয়ন্ত্রণের উপরে। শরীরে চর্বি জমতে থাকে, ইউটেরাস, প্লাসেন্টা প্রসারিত হয়, স্তন্যের টিস্যু বর্ধিত হয়, রক্ত ও এমনিওটিক ফ্লুইডের পরিমাণ বাড়তে থাকে। ইত্যাদি বিচারে একজন নারীর গড়পড়তা ১৮-৩৫ পাউন্ড ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে। যদিও জন্মের সময় বেশীর ভাগ বাচ্চার ওজন ৬-৮ পাউন্ড হয়, তারপরেও চর্বিই একমাত্র ওজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী নয়। সন্তান জন্মদানের পর ওজন কমানো কোন কঠিন বিষয় নয়। সুষম খাবার গ্রহণ ও নিয়মিত ব্যায়াম করে অতিরিক্ত ওজন কমানো যায়।
নবম সপ্তাহে মুড ঘনঘন পরিবতর্ন হতে পারে, দুশ্চিন্তা ও অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। সংবেদনশীলতা বেড়ে যাবে কারণ এ সময়ে শরীরে হরমোনের উপস্থিতি ব্যাপকভাবে দেখা দেয়। শারীরিক বা মানসিক অবসাদ এখনও থাকতে পারে তবে পেটের পীড়া কমে যাবে। অনিয়ন্ত্রিত গ্যাসের ভাপ এসময়ে মুখ ও নাক দিয়ে বের হতে পারে। শরীরে প্রোগেস্টারনো হরমোন বেড়ে যাওয়ায় এ সমস্যা তৈরী হয়। গর্ভকালিন এসকল অবস্থা একদম স্বাভাবিক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



