somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কাউকে বা কোন মতকে বেশী ভালবাইস্যা ফেলার ঘটনা ঘটতে পারে

১৫ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কেউ এত সুন্দরী যেমন ঐশ্বরিয়া বা কেউ এত ভাল মানুষ লাইক ম্যান্ডেলা যে তাদের জন্য মানুষ ভালবাসা উজার কইরা দিতেই পারে। করম চাঁদ গান্ধী, জিন্নাহ, বঙ্গবন্ধু মানুষের ভালোবাসা উজার কইরা কাইড়া নিছে। মানুষ পাগল হইছে। এগুলা সাম্প্রতিক ইতিহাস। হুইল ঘুরাইয়া পেছনের দিকে গেলে হাজারো এমন মানুষ ও মত পাইবেন যারা মানুষকে মোহান্ধ কইরা দিছে, কইলজা ফানা ফানা কইরা দিছে, মানুষ যাদের জন্য জীবন বিসর্জন দিছে ওয়ান-টুর মধ্যে। তাদের মধ্যে কিছু এমন জিনিস, তকমা, মাজেজা ছিল যা মানুষ টাসকি খাইয়া ভাবতো, আয় হায়, এদেখি ইশ্বর! যা মানুষের হিউম্যানিটিকে নাড়াচাড়া দিয়া একেবারে জীবন উৎসর্গবাদী পর্যন্ত কইরা ফালাইছে। ধর্ম, ডকট্রিম, দর্শনের প্রচারকদের এমন কোয়ালিটি ছিল।

কিন্তু সমস্যা হইছে এদের ভালবাইসা অন্ধ হওয়া পাবলিকদের মধ্যে। এরা এমন ভালই বাসছে যে তার ভালোবাসার আধারকে সে অন্য সবতের জন্যও একই মনে করছে। সে দিকে দিকে গিয়া কইয়া বেড়াইতেছে, জানিস আমি যাকে ভালবাসি/যে মতকে ভালবাসি, হি/শী ইজ গ্রেটেস্ট, বেস্ট। তুই কাকে ভালবাসিস? ছ্যা! আমার গুরু মহান, তোর গুরু গরু!

এই ভালোবেসে তার মত হতে চাওয়া লোকেরা তার মত না হয়ে অন্যদের তাকে ভালবাসার জন্য মটিভেটের কাজে নেমে পড়ে। তাদের একটাই কাজ, আয় হায়, আমার ভালোবাসার ধন এত ভাল, তার ছবিটা টাঙাতে হবে মগডালে, তার নাম লিখে দিতে হবে রাজার তখতে, তাকে পুজো করতে হবে, তার বিরুদ্ধে কিছু বললে তার কল্লা আমি কেটে নেব! হুম! কে আছিস শয়তান আমার নবীকে খারাপ বলিস? তার পথকে খারাপ বলিস! তোরা জানিস না বলে এমন করিস, এই দেখ, সে কি বলেছে, কি লিখেছে! শোন তার গল্প। একদিন হুজুর বসে ছিলেন খেজুর গাছের নিচে। এমন সময় এলো এক বেশ্যা মহিলা......

শুনে মানুষ মুগ্ধ হয়। কিন্তু তার কাছে আরেক গল্প আছে । সে বলে শুনলাম, এবার আমারটা শোনেন। প্রথমপ্রেমিক তখন পেরেশান হয়। ভাবে, গেলো মনে হয় নেমে আমার পুজ্য! যুক্তি বানায়, যুক্তি শানায়। তারপরে চুলচেরা হিসাব গিয়ে গড়ায় তপ্তদাহে। সেখানে রক্ত গরম হতে থাকে। তারপরে ঠুসাঠুসি। ভুলে যায় তাদের ভালবাসা অর্জনের দীক্ষা দিয়েছিল তাদের পুজ্যজন, কেবল পুজিত হতে নয়। তারপরে হাবারামচুদারামরা মরে পড়ে থাকে প‌্যালেস্টাইন, বাগদাদের রাস্তায়! সালা শুয়োরের বাচ্চা প্রেমিকবৃন্দ! তোদের প্রেম আমি চুদি!
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৫৫
১০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪



“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ সময়ের ব্যবধানে তারা দুজন

লিখেছেন সামিয়া, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৩



কোর্টের সামনের চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। দুপুরের রোদটা তখন কিছুটা নরম হয়েছে। মানুষের ভিড়, আইনজীবীদের কালো কোট, চায়ের দোকানের ধোঁয়া আর ফাইল হাতে ছুটে চলা লোকজন মিলে জায়গাটা যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×