কেউ এত সুন্দরী যেমন ঐশ্বরিয়া বা কেউ এত ভাল মানুষ লাইক ম্যান্ডেলা যে তাদের জন্য মানুষ ভালবাসা উজার কইরা দিতেই পারে। করম চাঁদ গান্ধী, জিন্নাহ, বঙ্গবন্ধু মানুষের ভালোবাসা উজার কইরা কাইড়া নিছে। মানুষ পাগল হইছে। এগুলা সাম্প্রতিক ইতিহাস। হুইল ঘুরাইয়া পেছনের দিকে গেলে হাজারো এমন মানুষ ও মত পাইবেন যারা মানুষকে মোহান্ধ কইরা দিছে, কইলজা ফানা ফানা কইরা দিছে, মানুষ যাদের জন্য জীবন বিসর্জন দিছে ওয়ান-টুর মধ্যে। তাদের মধ্যে কিছু এমন জিনিস, তকমা, মাজেজা ছিল যা মানুষ টাসকি খাইয়া ভাবতো, আয় হায়, এদেখি ইশ্বর! যা মানুষের হিউম্যানিটিকে নাড়াচাড়া দিয়া একেবারে জীবন উৎসর্গবাদী পর্যন্ত কইরা ফালাইছে। ধর্ম, ডকট্রিম, দর্শনের প্রচারকদের এমন কোয়ালিটি ছিল।
কিন্তু সমস্যা হইছে এদের ভালবাইসা অন্ধ হওয়া পাবলিকদের মধ্যে। এরা এমন ভালই বাসছে যে তার ভালোবাসার আধারকে সে অন্য সবতের জন্যও একই মনে করছে। সে দিকে দিকে গিয়া কইয়া বেড়াইতেছে, জানিস আমি যাকে ভালবাসি/যে মতকে ভালবাসি, হি/শী ইজ গ্রেটেস্ট, বেস্ট। তুই কাকে ভালবাসিস? ছ্যা! আমার গুরু মহান, তোর গুরু গরু!
এই ভালোবেসে তার মত হতে চাওয়া লোকেরা তার মত না হয়ে অন্যদের তাকে ভালবাসার জন্য মটিভেটের কাজে নেমে পড়ে। তাদের একটাই কাজ, আয় হায়, আমার ভালোবাসার ধন এত ভাল, তার ছবিটা টাঙাতে হবে মগডালে, তার নাম লিখে দিতে হবে রাজার তখতে, তাকে পুজো করতে হবে, তার বিরুদ্ধে কিছু বললে তার কল্লা আমি কেটে নেব! হুম! কে আছিস শয়তান আমার নবীকে খারাপ বলিস? তার পথকে খারাপ বলিস! তোরা জানিস না বলে এমন করিস, এই দেখ, সে কি বলেছে, কি লিখেছে! শোন তার গল্প। একদিন হুজুর বসে ছিলেন খেজুর গাছের নিচে। এমন সময় এলো এক বেশ্যা মহিলা......
শুনে মানুষ মুগ্ধ হয়। কিন্তু তার কাছে আরেক গল্প আছে । সে বলে শুনলাম, এবার আমারটা শোনেন। প্রথমপ্রেমিক তখন পেরেশান হয়। ভাবে, গেলো মনে হয় নেমে আমার পুজ্য! যুক্তি বানায়, যুক্তি শানায়। তারপরে চুলচেরা হিসাব গিয়ে গড়ায় তপ্তদাহে। সেখানে রক্ত গরম হতে থাকে। তারপরে ঠুসাঠুসি। ভুলে যায় তাদের ভালবাসা অর্জনের দীক্ষা দিয়েছিল তাদের পুজ্যজন, কেবল পুজিত হতে নয়। তারপরে হাবারামচুদারামরা মরে পড়ে থাকে প্যালেস্টাইন, বাগদাদের রাস্তায়! সালা শুয়োরের বাচ্চা প্রেমিকবৃন্দ! তোদের প্রেম আমি চুদি!
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




