ক্লাস শেষে মাইনাস এইট পাওয়ারের চমশা পরিহিতা বনবাতাসী বের হয়ে এল। ভীরু ছেলেটি হঠাৎ করে কেমন সাহসী হয়ে গেলাম। সবার সামনে গিয়ে বললাম, তোমার সাথে কথা আছে! সে সরে এলো বারান্দার নির্জনে। আমি বললাম, তোমাকে ভালাবাসি। বনবাতাসী বিরক্ত হলো। আমাকে মুখের উপরে বলে দিল, আপনাকে তো ভালবাসি না! অযথা বিরক্ত করবেন না!
আমি চেচিয়ে উঠলাম, কেন? তুমি ভাল না বাসলেও আমি বাসি। তোমাকে ভালবাসতেই হবে! নইলে তোমার জীবন আমি হেল করে দেব! বনবাতাসী বললো, যা ইচ্ছে করুন গে? মেরে ফেললেও আপনাকে ভালবাসবো না! আমার চেচামেচিতে বনবাতাসীর সাঙ্গপাঙ্গরা জোট পাকায়। আমি কেয়ার করি না। ক্যাম্পাসে ওরা কিছু করতে পারবে না। কিন্তু বনবাতাসীই তো নাচার। আমাকে বলে, আপনি একটা সিন ক্রিয়েট করছেন! আমি বলি, সিন তো তুমি তৈরী করেছো! কি এমন আমার অযোগ্যতা বলো? আমি তোমাকে ভালবাসি, পৃথিবীর সবার চেয়ে বেশী! বনবাতাসী বলে, দ্যাখেন, আপনার সাথে আমার কথা বলতে ভাল লাগে না, আপনি আমাকে যেতে দিন!
নিস্পৃহ এমন জবাবে আমার সব শক্তি উবে যায়। বনবাতাসী গ্যাট গ্যাট করে চলে যায়। আমি বসে থাকি সত্য, প্রেম ও পবিত্রতার নিচে। তারপরে যতবারই বিএমকলেজে গেছি, একবার সেই জায়গাটাতে আমার যাওয়া চাইই চাই। এমনি করে ব্রজমোহন নামটির সঠিক বানান আমার চিরজীবনের মত মুখস্থ হয়ে গেল। গতসপ্তাহে ছবি তুলে নিয়ে এলাম। উইকিতে ব্রজমোহন বানান ঠিক করতে এখন রাগিবের আর কোন প্রমান লাগবে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


