তারপর মিজান, মানুষের ক্ষেতে খামারে কাজ করতে শুরু করল। সংসার যখন চলে না তখন তার ছোট ভাই টাকে কাজে দিল এক বাড়িতে, তার ছোট ভাই সেই বাড়িতে নাকি কাজ করতে পারবেনা। মিজান তার ছোট ভাই টাকে বুঝালো কিন্তু তাতেও কোন কাজ হয় নাই। এখন মিজান যেহেতু কাজ টা ঠিক করেছে সে জায়গায় তার ভাই কাজ না করলে মিজান এখানে অপমানিত হচ্ছে। সে চিন্তা করে মহাজন কে বল্ল ঠিক আছে আমার ছোট ভাই যদি কাজ না করে তাহলে তো করার কিছু নাই, আমি আপনাদের এখানে কাজ করব। মিজান কাজ করতে লাগল বছরের পর বছর এমনি করে 5বছর কাজ করল । মিজানকে তার মালিক মূল বেতন দিত 16 হাজার টাকা করে। যখন তার বন্ধু রা দেখা করতে যেত, তার মালিক তাদের কে কোন কিছুই বলত না । বরং মিজানের সেই পড়ালেখার কাহিনী শুনত, 5 বছর অতিক্রম হবার পর, মিজান এর মালিক তাকে আরো বাড়তি 30000 টাকা দিল খুশি হয়ে। মিজান চিন্তা করল এ টাকা দিয়ে কিছু একটা করবে, সে তার ছোট ভাইকে বিদেশ পাঠানোর চিন্তা করল। তার ছোট ভাইটা বাড়িতে র্কষি কাজ করেছে, প্রায় এক লক্ষ এিশ হাজার টাকা তাদের হয়েছে। মিজান যেখানে কাজ করত তার মালিকের এক আত্মীয়র নিকট টাকা দিল তার ছোট ভাইকে বিদেশে নেওয়ার জন্য। লোকটা টাকা গুলো নিয়ে বলে , ভিসা আসতেছে আসতেছে বলে মিজানকে সান্তনা দিত, ভিসার তো নামই নাই বরং টাকাটা মেরে দিল । তারপর মিজান মেম্বার চেয়ারম্যান ডাকালো কোন কাজ হয়নাই তাতে, সে লোক বলে যে আমাকে কোন টাকাই দেয় নাই সে, আমার সাথে যখন দেখা হল মিজানের, মিজান দুঃখ বরা ছোখে কেঁদে কেঁদে বল্ল এ কথা গুলো, জন্ম থেকে কাজ করে আসছি, আমার সারা জীবনের আয় রোজগারের টাকা গুলো লোকটা মেরে দিল । আমি কি দোষ করেছিলাম জানি না। আমি তাকে যে শান্ত না দেব সেই ভাষা ছিল না ।
মিজানের কথা মনে আসলে সবার চোখে জল এসে যায়।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুলাই, ২০০৬ ভোর ৫:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



