১৯৭৫ এর আগষ্টে অপরাজেয় বাংলার দিকে তাক করে রাখা ছিল একটা ট্যাংন্ক। বাংলাদেশের জন্ম যাদের পরাজয় ১৯৭৫ এর হত্যা কান্ড কেবল তারাই করাতে পারে। শেখ মুজিব মারা গেলে যারা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৫ এর হত্যাকান্ডের প্রত্যক্ষ্য বা পরোক্ষ মদত দাতা অবশ্যই তারা।
"... দেখলাম রোকেয়া হলের সামনে একটা ট্যাংন্ক, ভাইস চ্যান্সেলরের গেটের সামনে একটা ট্যাংন্ক, ঠিক অপরাজেয় বাংলার সামনে দেখি একটা ট্যাংন্ক ব্যারেলটা ঐ দিকে মুখকরে আছে। আমার এত্ত কান্না লাগল যদি এরা এখান থেকে এটাকে ভাঙ্গার চেষ্টা করে তাহলে হয়ত এটাকে নষ্ট করে দিতে পারে। এরা সম্পূর্ণ উদূ ভাষী হয়ত সদ্য পাকিস্তান থেকে আসছে এরা! এবং যাতা ভাষায় গালাগালি করতেছে এক জন আরেক জনকে বলতেছে এটা শেখ সাহেবের পরিবার। শেখ কামাল শেখ হাছিনা শেখ রেহানা... এ রকম আবোল তাবোল কথাবার্তা বলতেছে, এটাকে রাখা যাবে না এটাকে ভেঙ্গে ফেলতে হবে। এটা কেন এখানে করতেছে? শেখের ফ্যামিলি এটা..."
তার নাম বদরুল আলম বেনু। অপরাজেয় বাংলার তিনটি ফিগারের মাঝখানের ফিগারটির মডেল তিনি। ভাষ্কর আবদুল্লাহ খালিদের সাথে মিলে নির্মাণ করেছেন আমাদের মুক্তি যুদ্ধের স্মারক ভাষ্কর্য্য অপরাজেয় বাংলা।
দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার পর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান কলম্বোর পথ ধরে দেশে ফিরে আসেন । তিনি ভারতে ঢোকার অনুমতি পেয়েছিলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইনুস বাটপারের ভূয়া শহীদের বিতর্কিত 'জুলাই শহীদ গেজেট' যে অসংখ্য মিথ্যা, প্রতারনা, জালিয়াতিতে ভর্তি একটা বড় রকমের মিথ্যাচার, বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম... ...বাকিটুকু পড়ুন
চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ বিক্ষিপ্ত । ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন