বি,এন,পির জন্ম লগ্ন হতে আজ পর্যন্ত ভারত সাথে বি,এন,পির কোন রাজনৈতিক দল বা কোন সরকারের সাথে কোন সময় গভীর সুসর্ম্পক ছিলনা, গভীর সুসর্ম্পক না থাকলেও আবার একেবারে খারাপ বা শত্রুতাও ছিলনা।
আবার আওয়ামীলীগ ও ভারত সর্ম্পক বিবেচনা করলে দেখাযায়, ভারতের সাথে আওয়ামীলীগের একে বারে অত্যান্ত গভীর অন্তরঙ্গ কোন সর্ম্পক ছিলনা, যে টুকু ছিল তা স্বাভাবিক , যা সাধারণত দুটি প্রতিবেশী দেশের মধে যে রকম বন্ধুত্বপূর্ন হয়ে থাকে।
ভারত বনাম বি,এন,পি। এবং ভারত বনাম আওয়ামীলীগ এই দুটি অপশন তুলনা মুলক চিত্র বিবেচনা দেখাযায়।
১) বি,এন,পি বনাম ভারত ( শত্রুতা নয়, বন্ধুত্বও নয়)
২) আওয়ামীলীগ বনাম ভারত ( শত্রুতা নয়, তবে বন্ধুত্ব )
এবার আসাযাক ভারত বনাম বি,এন,পি ও ভারত বনাম আওয়ামীলীগের তুলন মুলক চিত্রে বিস্তারিত কিছু পর্যালোচনা ।
ইতিহাস ও বিভিন্ন পত্রপত্রিকার উদৃতি হতে যতটুকু জেনেছি , তাতে দেখা যাচ্ছে, বি,এন,পি ভারত বাংলাদেশ বিভিন্ন দ্ধিপাক্ষিক সমস্য, সামাধানের ব্যাপারে এই পর্যন্ত কোন কর্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি, নদীর পানি বন্টন চুক্তি, সীমান্ত হত্যা, সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্য, কোন ব্যাপারে বি,এন,পির শাসন আমলে বি,এন,পি ভারতে বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মুলক টু শব্দ করতে পারিনি, বরং সমীকরণে দেখা যায় বি,এন,পি আমালে ২০০১ হতে ২০০৬ পর্যন্ত সর্বোচ্চ সংখ্যাক বাংলাদেশী নিহত হয় বি,এস,এফর গুলিতে, শুধূ তায় নয়, গত ২০০৫ সালের ২৭ শে জানুয়ারী আওয়ামীলীগ নেতা ও তখনকার বিরুধী দলীয় নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা কান্ডের পর পর বাংলাদেশে সার্ক সম্মেলন হবার কথা ছিল, তখন ভারতে প্রধান মন্ত্রী ছিল (ভারতীয় জনতা পাটি) বিজেপি নেতা অটল বিহারী বাজপায়ী, ঠিক তখন বাংলাদেশের ক্ষমতায ছিল বি,এন,পি , তখণ ঐ সময় অটল বিহারী বাজপায়ী বাংলাদেশে অনুষ্টিতব্য সার্ক সম্মেলনে আসতে অস্বকৃতি জানান, কারণ হিসাবে উল্লেখ করন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি ভাল নয় , তায় অটল বিহারী বাজপায়ী বাংলাদেশে সার্ক সম্মলেনে আসা সম্ভব নয়।
এবার দেখাযাক আওয়ামীলীগ বনাম ভারত সর্ম্পকে বিস্তারিত কিছু আলোচনা।
ইতিহাস আর বিভিন্ন পত্রপত্রিকার উদৃতি হতে জানাযায়, ভারত আওয়ামীলীগ সর্ম্পক ছিল বাংলাদেশ স্বাধীন হবার র্পূব হতে ছিল গভীর, বাংলাদেশ স্বাধীনতার সবচেয়ে বড় অবদান ছিল ভারত আওয়ামীলীগ সুসর্ম্পকে অন্যতম কারণ, বঙ্গবন্ধূ শেখমুজিব পাকিস্তান কারগার হতে মুক্তি পেয়ে সর্বপ্রথম লন্ডন হতে ভারতে আসেন, ইন্ধরা গান্ধীর সাথে দেখা করেন, বঙ্গবন্ধূর মৃত্যুর পর হাসিনা ও রেহেনাকে আশ্রয় দেন ইন্ধারা গান্ধী, আওয়ামীলীগ আমলে ভারতে সাথে চুক্তি হয় গঙ্গার ফরাক্কা চুক্তি, আওয়ামীলীগ আমালে সবচেয়ে কম সীমান্ত হত্যা হয় বি,এন,পির শাসন আমলের তুলনায়, ভারতে সাথে বাস ও রেল যাতায়ত শুরু হয় আওয়ামীলীগ আমলে, শুধু তায় নয় আওয়ামীলীগ আমলেই ভারতের বিরুদ্ধে সীমান্ত হত্যার ব্যাপারে সর্বোচ্চ শক্ত প্রতিবাদ করাহয়। বড়ইবাড়ী সীমান্ত যুদ্ধে নিহত হয় ভারতের বিপুল সংখ্যাক বি,এস,এফ সদস্য তখন আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় ছিল। মজার বিষয় ছিল ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু ইন্ধারাগান্ধীকে সরাসরি বলেছিল এখন তো যুদ্ধ শেষ বাংলাদেশ স্বাধীন, ভারতীয় সৈন্যদের কখন আপনি ফিরিয়ে আনবেন বঙ্গবন্ধুর চাপে দ্রুত বাংলাদেশ হতে সৈন্য ফিরিয়ে নেন ভারত। আরো মজার বিষয় হল আওয়ামীলীগ আমলেই বাংলাদেশের কোন বিরুধী নেত্রী খালেদা জিয়াকে ভারত সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয় ভাবে আমন্ত্রণ জানান,
এবার দেখা বাংলাদেশ ভারত বিষয়ক ভিন্ন কিছু বিষয়।
ভারত খুবই ভাল করে জানেন, বি,এন,পি জামাত ক্ষমতা থাকাঅবস্থায় উলফা গেরীলা বাংলাদেশী রাষ্ট্রীয় ও সরকারী সহযোগিতায় অস্ত্র নিয়ে যাচ্ছিল , যা চট্টগ্রামে ধরা পরেছিল। উলফা গেরীলা নেতা অনুপচেটিয়া কখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় বাংলাদেশে অবস্থান করেছিল তা খুব ভাল করেই জানে ভারত। ভারত খুবই ভাল করে জানেন কারা ভারতের বিরুদ্ধে অপ্রাসঙ্গীক উষ্কানী মুলক বক্তব্য দিয়ে রাজনৈতকি স্বার্থ হাসিল করেন।
বিজেপি নির্বাচনে জয়লাভ করার পর বি,এন,পি জামাত খুশি হবার প্রকিৃত কোন কারণ আমি অনেক ঘবেষণা করেও খুজে পেলাম না, বি,এন,পি এই খুশর বাস্তবতার মুল কারণ কি হয়তো বি,এন,পি জামাত তারা নিজেরাই জানেনা,
আমার মতে বি,এন,পি জামাতের এটি একটি র্ভাচুল খুশি, বিজেপি ক্ষমতায় আসায় বি,এন,পি বা আওয়ামীলীগ কেউ স্পেশাল সুবিধা পাবে না। তবে বি,এন,পি জামাত মোদিকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি সুন্দর মনের পরিচয় দিয়েছেন, এটি একটি সৌজন্য মুলক আচারণ মাত্র।
বিজেপি জয়লাভ করায় বি,এন,পি জামাত যদি অতিমাত্রায় খুশি হয়ে অনন্দে আত্নহারা হয়, তাহলে বলবো এটি তাদের রাজনৈতিক দুর্বলতা ও রাজনৈতিক অদুরদর্শীতা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


