১। সকল মূর্তি ভাস্কর্য , সকল ভাস্কর্য মূর্তি নয়।
২। বিভিন্ন মুসলিম দেশে মূর্তি/ভাস্কর্য আছে বলেই সেটা বৈধতার দলিল নয়, যেমন সকল মুসলিম দেশে দূনীর্তি আছে বলেই দূর্নীতি বৈধ নয় ।
৩। অনেক মুসলিম দেশে প্রাচীন মূর্তি/ভাস্কর্য অপসারন হয়নি , বিধর্মীর স্থাপনা/উপাসনালয় ভাঙ্গা নবী(সাঃ) নিষেধ আছে।
৪। নবী(সাঃ) ও সাহাবা বহু দেশ শাসন করেছেন কিন্তু নতুন করে মূর্তি/ ভাস্কর্য নির্মান করেন নাই।
৫। প্রাচীন স্থাপনা জাতির ঐতিহ্য, নতুন স্থাপনা নির্মান ঐতিহ্য নয়, বাংলাদেশে ৫০-১০০ বছরের পুরাতন মুর্তি/ভাস্কর্য কোথায়?
ব্লগার এমেরিকা লিখেছেন:
৬। মূর্তি কোনভাবেই রাস্তাঘাটের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেনা, বরং ফুলের গাছ, বর্ণালী আর্টিফ্যাক্ট এবং উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণ রাস্তাকে আকর্ষণীয় করে তোলে।
৭। ইবরাহীম (আ) নিজ হাতে মূর্তি ভেঙ্গেছিলেন। মূসা (আ) গাভীর মূর্তি ধ্বংস করেছিলেন। রাসূল (স) আবু সুফিয়ানকে দিয়ে কাবা ঘরের মূর্তি অপসারণ করিয়েছিলেন। মূর্তি যে জঞ্জালের আরেক নাম - এই তিনটি ঘটনা তার উপযুক্ত প্রমাণ।
৮। ওল্ড টেস্টামেন্ট অনুযায়ী শয়তানের ওয়াসওয়াসায় কেইন প্রথম মূর্তিপূজার সূচনা করেছিল।
৯। খ্রিস্টান ধর্মে মূর্তি বানাতে কঠোরভাবে নিষেধ করা আছে। তারা ধর্মকে বুড়ো আঙ্গুল দেখানোর জন্যই মূলত ব্যাপকভাবে মূর্তি বানায়।

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুলাই, ২০২৪ দুপুর ২:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


