somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

লক্ষণ ভান্ডারী
লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী –নামেই কবির পরিচয়। কবির বাড়ি পশ্চিমবঙ্গে বর্ধমান জেলার পাথরচুড় গ্রামে। প্রকৃতির সাথে পরিচয় ছোটবেলা থেকেই। বর্তমানে কবি বাংলা কবিতার আসর, বাংলার কবিতা ও কবিতা ক্লাবের সাথে যুক্ত। অবসর সময়ে কবি কবিতা লেখেন ও স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন

ভালবাসা দিবসের দুটি কবিতা

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



গতকাল ছিল হ্যাপি টেডি দিবস ও আজ প্রতিশ্রুতি দিবস। আজকের পবিত্রতম প্রতিশ্রুতি দিবসে সকলকে জানাই
আমার আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। গতকাল সরস্বতী পূজায় ব্যস্ত থাকায় কবিতা পোস্ট করা সম্ভব হয়ে উঠে নি। এজন্য সকলের কাছে মার্জনা প্রার্থী। অসুবিধার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।

প্রসঙ্গত উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, সর্বপ্রথম আমেরিকার মরিস মিচটম প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টকে উত্সর্গ করে টেডি বিয়ার বাজারজাত করেন। স্বাভাবিকভাবেই অল্প দিনেই বাচ্চাদের মাঝে টেডির হিড়িক পড়ে যায়। বিশ শতকের সেই টেডি বিয়ারের রূপ অনেক পাল্টেছে কিন্তু টেডির প্রতি ভালোবাসাটা রয়ে গেছে ঠিক আগের মতোই, তাই তো ভালোবাসার মানুষটিকে ভালোবাসার জিনিসটি দেওয়ার জন্যই পালন করা হয় হ্যাপি টেডি ডে। পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে, উপহার হিসেবে মেয়েরা টেডি বিয়ার অধিক পছন্দ করে। সেই অনুযায়ী পাশ্চাত্যে এই দিনটিকে সামনে রেখে সাশ্রয়ী মূল্যে হরেক রকমের টেডি বিয়ার বাজারজাত করা হয়, যাতে পছন্দের টেডি বিয়ারটি কারো মুখে হাসি ফোটাতে পারে।



সামহোয়্যার ব্লগের সাথে যুক্ত সকল কবি, সাহিত্যিক, লেখক-লেখিকাগণকে জানাই বিগত পবিত্রতম টেডি দিবস ও বর্তমান প্রতিশ্রুতি দিবস (প্রমিস ডে)-এর আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন। বাংলা কবিতার জয় হোক, বাংলার কবিগণের জয় হোক, বাংলা কবিতা আসরের জয় হোক। সাথে থাকুন, পাশে রাখুন। সকলের পাশে দাঁড়ান। জয়গুরু! জয়গুরু! জয়গুরু!

টেডি বিয়ার দিবস (হ্যাপি টেডি ডে)
লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী

গতকাল ছিল জানি টেডি বিয়ার ডে
স্মৃতি শুধু মনে রয়, আপনার হৃদে।
টেডি বিয়ার দিবস, শুন সর্বজন,
বিগত দিবস কথা, করিব বর্ণন।

প্রিয়জন যদি তব, হয় বড়ো জেদি,
আজিকার দিনে তারে কিনে দাও টেডি।
ভালবাসার বন্ধন না যায় খণ্ডন,
হৃদয়েতে থাকে লেখা বাঁধা রয় মন।

টেডি বিয়ার দিবস পূণ্য শুভক্ষণ,
টেডি উপহার দেয় সকলে এখন।
প্রিয়জনে দাও যদি টেডি উপহার,
নিশ্চয় হইবে খুশি প্রেয়সী তোমার।

পবিত্র দিবসে তাই সবে খুশি হয়,
লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী কবি, কবিতায় কয়।

আজ প্রতিশ্রুতি দিবস (হ্যাপি প্রমিস ডে)। ভালেন্টাইন’স ডে পঞ্জিকার পঞ্চম দিনটি হলো ১১ ফেব্রুয়ারি, প্রতিশ্রুতি দিবস (প্রমিস ডে)। প্রিয়জনকে আমরা অনেক কথাই দিয়ে থাকি, কিন্তু তার প্রতিশ্রুতিমত সবই রাখা হয়ে উঠে না, অনেক সময় মনেই থাকে না। তাহলে একবার ভাবুন তো, আপনার কাছের মানুষটির কাছে আপনার মূল্য দিন দিন কমে যাচ্ছে না তো? সম্পর্কের এই দিকটির বিবেচনা করেই প্রমিস ডে। এই দিনটি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? স্বাভাবিকভাবেই কাছের মানুষটি আমৃত্যু একটি প্রতিশ্রুতি চায়, তা হল যেকোনো পরিস্থিতিতে আপনার সহায়তা। নির্দিষ্ট এই দিনটিতে আপনি এই প্রতিশ্রুতিটি করতে পারেন যা আপনাদের সম্পর্কের প্রতিশ্রুতি বজায় রাখতে পারে।

ভালোবাসার মূল ভিত্তি গড়ে ওঠে বিশ্বাস আর শ্রদ্ধার মাধ্যমে। তবে সব ভালোবাসায় একটি বিশেষ জিনিসের প্রয়োজন হয়, আর তা হচ্ছে প্রিয়জনের কাছে প্রতিশ্রুতি। সম্পর্ক এগোয় প্রতিশ্রুতি নিয়ে, যে ভালোবাসায় প্রতিশ্রুতি নেই তার ভিত্তি গড়ে ওঠে না। তাই ভালোবাসা সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ দিবস হলো ১১ ফেব্রুয়ারি ‘প্রতিশ্রুতি দিবস’।
ভালোবাসা মানে একে অন্যের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গীকার। প্রতি বছর সারা বিশ্বব্যাপী এ দিবসটি পালন করা হয় প্রতিশ্রুতি দিবস হিসেবে।
প্রিয় মানুষটির কাছে সারাজীবনের প্রতিশ্রুতি নিয়েই সম্পর্ক এগিয়ে নেবার নামই ভালোবাসা। তাই এ দিনটি আপনি আপনার প্রিয় মানুষটির কাছে প্রতিশ্রুতি করতে পারেন সেসব কথা যেগুলো পালন করতে আপনি সবসময় চেষ্টা করবেন।
সামহোয়্যার ব্লগের সাথে যুক্ত সকল কবি, সাহিত্যিক, লেখক-লেখিকাগণকে জানাই পবিত্রতম প্রতিশ্রুতি দিবস (প্রমিস ডে)-এর আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন। বাংলা কবিতার জয় হোক, বাংলার কবিগণের জয় হোক, বাংলা কবিতা আসরের জয় হোক। সাথে থাকুন, পাশে রাখুন। সকলের পাশে দাঁড়ান। জয়গুরু! জয়গুরু! জয়গুরু!




প্রতিশ্রুতি দিবস (হ্যাপি প্রমিস ডে)
লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী

প্রতিশ্রুতি দিবসের বার্তা লিখি ভাই,
পবিত্র দিবসে তাই শুভেচ্ছা জানাই।
কবিতায় লিখে কবি করয়ে মিনতি,
প্রিয়জনে আজি তব দাও প্রতিশ্রুতি।

হৃদয়ের গাঁথা মালা দিয়েছো যাহারে,
প্রিয় তব আপনার বুঝে নিও তারে।
প্রতিশ্রুতি দাও নিজ সাধ্য অনুসার,
দিনে দিনে বাড়ে প্রেম হৃদয় মাঝার।

“প্রমিস দিবস” আজি করহ পালন,
প্রিয়জনে দাও কিনে যাহা প্রয়োজন।
গোলাপের ভালবাসা প্রতিশ্রুতি দেয়,
কার সাধ্য ভালবাসা তার কেড়ে নেয়?

প্রমিস দিবস বার্তা হল সমাপন,
কবিতায় লিখে কবি শ্রীমান লক্ষ্মণ।

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১৪
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ শয়তানের সাথে কিছুক্ষণ

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৫৫



আজ একেবারে সক্কালবেলা বউয়ের সাথে ঝগড়া করে নাস্তা না করেই বাসা থেকে বেড়িয়েছি। রাগের চোটে কোথাও কিছু খাইওনি। সেই সকাল নয়টা থেকে রমনা পার্কের এই বেন্চটাতে বসে আছি। এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুপারবাগ (superbug) এক নীরব ঘাতক ও মহামারী

লিখেছেন কাওসার চৌধুরী, ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫২


বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ (ICU) আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (BSMAU)। এই প্রতিষ্ঠানের আইসিইউতে মারা যাওয়া রোগীদের ৮০ শতাংশের মৃত্যুর কারণ হলো সুপারবাগ। ব্রিটিশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামের নামে জংগিবাদের অন্যতম কারন কি ইহুদী নাসা ষড়যন্ত্র নাকি অন্য কিছু ?

লিখেছেন এ আর ১৫, ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:১৭

প্রথমে দেখি একজন মাওলানা যদি এক ঘন্টার একটি ওয়াজ বা বয়ান করেন, তখন কোন বিষয়ে তিনি কতখানি সময় ব্যয় করেন ।
----
১) ২০ বিশ মিনিট তিনি ব্যয় করেন -... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি একজন ব্লগার বলছি-

লিখেছেন মাহমুদুর রহমান, ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:২৭


আমরা যখন আল্লাহর প্রশংসা করি এতে মহান আল্লাহর কি উপকার হয়?

আমরা যখন মহান আল্লাহ তাআ'লার ইবাদত করি আমরা যখন বলি আল্লাহু আকবার এতে কিন্তু আল্লাহ্‌ সর্বশক্তিমান হচ্ছেন না।আল্লাহ্‌... ...বাকিটুকু পড়ুন

মজার মজার কিছু টপিকস, মাথানষ্ট করা উত্তর B#))

লিখেছেন আর্কিওপটেরিক্স, ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:০১



পূর্ববর্তী পোস্টের উত্তর নিয়ে আমার এই লেখা। এটাও কাভা ভাইকে উৎসর্গীকৃত B#))

১.একটি ভাল্লুক 46 মিটার উপর থেকে 9.3 সেকেন্ডে মাটিতে পড়লো।
ভাল্লুকের গায়ের রং... ...বাকিটুকু পড়ুন

×