আজকে শুক্র বার। জুম্মার নামাজে যেতে যেতে বাজলো প্রায় ১২.৪৫। ইমাম সাহেব নিয়ম মতো তার বয়ান রাখছিলেন। উল্লেখ্য যে ইমাম সাহেব গত কালই হজ্জ্বব্রত পালন করে ফিরেছেন। তিনি এই হজ্জ্বে দুটি দূর্ঘটনারই স্বল্প ব্যাখ্যা দিলেন। প্রথমটি হলো ক্রেন ছিড়ে যাওয়া, হুজুরের কথা মতো যেটা নিছকই দূর্ঘটনা। আল্লাহ মানুষকে বিভিন্ন রকমের ভয় ভীতি ও দূঃখ কষ্ট দিয়ে পরীক্ষা করে থাকেন ..... এটাই ছিলো হুজুরের ব্যাখ্যা।
আর দ্বিতীয়টি হলো মিনার দূর্ঘটনা। হুজুরের মতে এটি একটি চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্র, যা তিনি সৌদি সরকারের তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী সৌদিতে অবস্থানকালেই পারস্পরিক মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। এটি একটি সম্পূর্ণ শিয়া ষড়যন্ত্র। কয়েকজন বা বেশ কিছু সংখ্যাক শিয়া নাকি মিনায় যাওয়ার বিপরীত দিকে ইচ্ছাকৃতভাবে ঠেলাঠেলি শুরু করে এমন দূর্ঘটনা ঘটিয়েছেন এবং তারা নাকি ইরানী শিয়া। তিনি এও বলেন সৌদি প্রিন্স এর গাড়ি বহর বা পাথর নিক্ষেপ এর কারণে এমন দূর্ঘটনা ঘটেছে বলে যেটি প্রচার পেয়েছে, সেটাও মিথ্যা। তিনি আরব সারকারের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা মারফত জানতে পেরেছেন যে, সৌদি রাজা বাদশাহ গন সম্পূর্ণ নিজস্ব পথ (সুড়ঙ্গ পথে) ব্যবহার করে মিনায় পাথর মেরে থাকেন। যেই পথ আর কেউ কখনোই ব্যবহার করে না। সুতরাং সাধারণ হাজ্বীদের রাস্তা ব্যবহার করার কোন প্রয়োজনই তাদের নেই। এই প্রোপাগান্ডাও নাকি ইরাক থেকে ছড়ানো হয়েছে, কারণ বর্তমানে ইরাকি সরকার শিয়া সমর্থনপুষ্ট।
তিনি আরো বলেন শিয়াদের মধ্যে ৩২টা দল আছে, যাদের অনেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজই স্বীকার করে না। উনি আরবের আজীজিয়া নামক একটি এলকায় একটি হোটেলে গিয়ে তার সত্যতাও পেয়েছেন। সেখানকার ইরানী শিয়ারা ৩ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে।
এই বিভেদই তো মুসলমানদেরকে ধ্বংস করে দিচ্ছে .... আমরা কি তা বুঝতে পারছি!
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



