
ঈদের ছুটিতে ছুটছেন সবাই। পাটুরিয়া ফেরী ঘাটের উপভোগ্য জানযট ........
গত বৃহস্পতি বার থেকেই শুরু হয়ে গেছে ঈদের ছুটি। সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য মূলতঃ এটি অনেক বাড়তি একটি পাওয়া। যদিও তারা এমনিতেও সারা বছর শুক্র শনি ছুটি সহ সরকারী সকল প্রকার ছুটি ভোগের পাশপাশি চরম মাত্রায় আয়েশী কায়দায় তাদের চাকরী বাকরী উপভোগ করেন। তার উপরে টানা ৯ দিনের ছুটি - এ যেনো সোনায় সোহাগা। প্রাইভেট কোম্পানী গুলোর সাথেও এই সরকারী অফিস আদালতের কিছু না কিছু কাজ কর্ম থাকেই। মূলত সেগুলোও আটকে গেছে। টানা ৯দিন ছুটির পরে সরকারী অফিস আদালতে পুরো দমে কাজ শুরু হতেও নেবে আরো এক সপ্তাহ। তার মানে কি দাড়ালো? ৯ +৭ = টানা ১৬ দিন মানে প্রায় অর্ধমাস(!) এই ছুটির আমেজ চলতে থাকবে। সরকারী চাকরী পাওয়ার জন্য মানুষের যে হা-পিত্যেষ, এই ছুটি বোধকরি তার একটি বড় কারণ।
পক্ষান্তরে প্রাইভেট কোম্পানীই এখন সহিহভাবে সরকারী নিয়ম মেনে ঈদের ছুটি কাটায়। অর্থাৎ ঈদের আগের দিন, ঈদের দিন আর ঈদের পরদিন। আবার অনেক সময় দেখা যায় এই দিন দিনের মধ্যে আবার শুক্র বার পড়ে যায়। সেই ক্ষেত্রে একটি ছুটি বাদ চলে যায়।
একই সমাজে বসবাস করে এতো বৈষম্য কি কারোর ভালো লাগে? ঈদের খুশি কি একা একা ভোগের জিনিষ? ঈদ তো সবাই মিলেই উপভোগ করতে হয়। একদল টানা ৯ দিন ছুটি ভোগ করবে, আরেক দল টেনেটুনে মোটে ৩ দিন!! এটা কেমন বিচার?
যেমন ধরেন কোন এক পবিারের বড় ভাই, দুলাভাই করে সরকারী চাকরী, ভাবী, বোন দেবর ননদ করে প্রাইভেট চাকরী। সবাাই মিলে তাহলে কিভাবে ঈদের ছুটি ভোগ করবেন? পারবেন? হ্যা - পারতে তো হবেই। জোড়া তালি দিয়ে হলেও পারতে হবে। কিন্তু ছুটি গুলো যদি সবার জন্য সমান হতো, তবে আর জোড়া তালি-র প্রয়োজন হতো না।
আমার মনে হয় সরকারের উচিৎ ছুটির এই বষৈম্যের দিকে নজর দেওয়া। প্রাইভেট কোম্পনীতে চাকরি করা মানুষের রাত দিন ২৪ ঘন্টার শ্রম আর মেধাই দেশটার অর্থনীতির চাকা চালু রেখেছে। তাদের ট্যাক্সের টাকা দিয়েই সরকার চলে ... ... ...
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১২:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


