somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিশুর স্কুলব্যাগ তার ওজনের ১০ শতাংশের বেশি নয়,,,,,,,,

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১২:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শিশুর স্কুলব্যাগ তার ওজনের ১০ শতাংশের বেশি নয়,,,,,,,,

শিশুর ওজনের ১০ শতাংশের বেশি ভারী স্কুলব্যাগ বহন করতে দেয়া যাবে না বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও আশিস রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।




কথা হলো শিশুর স্কুল ব্যাগ এর ওজন কমানোর চেয়ে শিশু শিক্ষার খরচের ওজন কমানো অনেক বেশী জরুরী। বিশেষ করে ঢাকা শহরের যে কোন স্কুলে নার্সারীতে ভর্তি করাতে গেলে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা লাগে। মাসে মাসে বেতন দিতে হয় হাজার টাকার উপরে। ঢাকা শহরের সরকারী প্রাইমারী স্কুলের যে পরিস্থিতি তাতে মধ্যবিত্ত সমাজের অনেকেই সেখানে বাচ্চাদেরকে পড়াতে আগ্রহী হন না। আর নিম্ন আয়ের মানুষ আর উচ্চ আয়ের মানুষের এই বিষয়ে কোন সমস্যাই হয় না। কারণ উচ্চবিত্ত সমাজে হাজার হাজার টাকা খরচ করে পোলাপান পড়ানো কোন ঘটনাই না। পক্ষান্তরে নিম্ন আয়ের মানুষজন যেটুকু পায়, সেটুকুই তাদের প্রাপ্তি বলে মনে করেন। কিন্তু সমস্যা হয় মধ্যবিত্ত সমাজের। মান সম্মত ও রুচিশীল পরিবেশে নিজেদের বাচ্চাকে শিক্ষিত করে তোলার স্বপ্নে বাধ্য হয়ে তাদেরকে অতি মাত্রায় খরচ করে অপেক্ষাকৃত ভালো মানের স্কুলে বাচ্চাদেরকে ভর্তি করাতে হয়। তাদের ড্রেস, বই খাতা, স্কুলে আনা নেওয়া, টিউটর রেখে পড়ানো সহ যৎ যাবতীয় আব্দার আহ্লাল মেটাতে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারকে যে কত হিসাব করে পা ফেলতে হয়, সেটা সমাজের অনেকেই হাড়ে হাড়ে টের পান। শুধু টের পান না সমাজের নীতি নির্ধারক মহল। কারণ তাদেরকে তো এত কষ্ট ক্লেষ সহ্য করতে হয় না। পাই পাই হিসাব করে সংসার চালাতে হয় না।

সুতরাং আমার মনে হয় বাচ্চাদের ব্যাগের ওজন কমাতে হলে মান সম্মত শিক্ষার ব্যয় কমাতে হবে। পাশপাশি শিক্ষার পরিবেশ ও মান সমন্বয় করতে হবে। ইংলিশ মিডিয়াম, ইংলিশ ভার্সন, বাংলা মিডিয়াম এভাবে শিক্ষাকে বিভক্ত করলে শ্রেনী বৈষম্য বাড়ে বৈ কমে না। সেই সাথে ব্যবসার ফন্দিও বৃদ্ধি পায়। এই ব্যপারে সবারই একটু নজর দেওয়া উচিৎ .... কারণ শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১২:৩৩
৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×