পূর্বরাগ
কৃষ্ণকলা অক্ষিপটে
আত্মমগ্ন সুখজলসব
দ্বিধাভুলে উন্মুক্ত হয়
অন্তরিত অখন্ডতায়,
কৃষ্ণচূড়া আভা মেলে
লজ্জা আগুন লজ্জিত হয়
অন্তরঙ্গ মুখশ্রী।
অনুরাগ
দহনসুখে নিরন্তর কে হায়
হয় হতবিহ্বল
জলকুঠুরীর কলমি বনে
জংলাপাতা, যুগল ঢেউ।
রক্ত যতই উঠুক মেতে
জীবন নেশা পেয়েছে আজ
মাটি-মানুষের সুগন্ধ তাই।
অভিসার
মন পুড়ে যায় তৃষ্ণাজ্বালায়
যুগল সন্ধির বিনম্রতায়
প্রিয়তারই সুখপিপাসার
চাঁদ-জ্যোৎস্নার উন্মত্ততায়।
মিলন
সন্তর্পণে সমর্পণে
সঙ্গোপনে সঙ্গমে
হোক যা হয় হোক অন্তমিল
জন্ম কিংবা মৃত্যুবিলাস।
অভিমান
বিরহের রাত্রি চলে পথ ভুলে
কে হায় দরজায় দাঁড়িয়ে উদাসীন
সম্মোহিত সুর-স্রোতে নদীর মতো
যায় ভেসে যায় নিখোঁজবৃত্তান্তে।
বিরহ
বুকের ভিতর ভরা ভাদর
উথাল-পাথাল তাম্রলিপি
শূণ্যতা আর বিনিদ্রিত
আকাশ বাতাস মাটি হৃদয়।
ভাব-বৈভব
অনন্তদিন মনের অসুখ
কিংবা হয়তো সুখের অসুখ
ভুল দেখা নয়, ভুল শোনা হয়
আমার এখন ভুল ভেঙে যায়
জন্মান্তরের বন্দী দশায়।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





